সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
শিরোনাম
৬১টি নিত্যপণ্যে ট্যাক্স ছাড়, বাজেটের পর দাম বাড়েনি: প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: মাঠ নিশ্চিতসহ ডিপিই’র একগুচ্ছ নির্দেশনা গ্রাহকদের সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন দিতে বাংলালিংককে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান তৃণমূল পর্যায়ে যাচ্ছে দুদকের নজর - এবার ইউনিয়ন পর্যায়েও 'দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি' গঠনের উদ্যোগ দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো কত? ইসলামী ব্যাংকে এমডি নিয়োগ তাড়াশে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, পিকআপ জব্দ 'বিশ্বকাপে কানাডার রূপকথা: শেষ মুহূর্তের গোলে প্রথমবার শেষ ষোলোতে' একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই চলতি অর্থবছরের ২৭ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩ শতাংশ
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

১৫ বছরে ব্যাংক খাতে ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাট : সিপিডি

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : নানা আর্থিক অনিয়মের কারণে ব্যাংকিং খাতে ২০০৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৫ বছরে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ধানমন্ডিতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৩-২৪ : চলমান সংকট ও করণীয়’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

image-41

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ঋণ, অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে ঋণ, অর্থ লোপাটসহ নানান আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকে যে স্ক্যাম বা অনিয়মগুলো হয়, সেগুলো অফিসিয়াল সূত্রে পাওয়া যায় না। সেগুলো সংবাদমাধ্যমে আসে। গণমাধ্যমকর্মীরা সেগুলো হয়তো অফিসিয়াল সূত্রেই আনেন। এগুলোকে কম্পাইল করেছি দেখার জন্য। ২০০৮-২৩ সাল পর্যন্ত গণমাধ্যমে ২৪টি ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। এসব ঘটনায় ৯২২ দশমিক ৬১ বিলিয়ন টাকা বা ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ বা অপচয় হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশাল এ অর্থ দিয়ে কী হতে পারে সেটা আপনারা হিসাব করতে পারেন। আপনারা হিসাব করতে পারেন আমাদের রাজস্ব ঘাটতি কত। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে কত ব্যয় হচ্ছে, শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে কত ব্যয় করছি। এই পরিমাণ টাকা দিয়ে আমরা কী করতে পারতাম।

তিনি আরও বলা হয়, অর্থনীতি অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। যা কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। নীতি নির্ধারকদের প্রধান কাজ হওয়া উচিত বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা।

এসময় মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ