বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ওয়ালটন ফ্যান করপোরেট গভর্ন্যান্স অডিটে অস্বাস্থ্যকর ফি প্রতিযোগিতা - ফি নির্ধারণে নীতিমালা জরুরি, কম ফি নয়-মানসম্মত নিরীক্ষাই হোক প্রতিযোগিতার ভিত্তি একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি পুঁজিবাজারে বন্ধ বিও হিসাব চালুর সিদ্ধান্তকে বিএসইসিকে ধন্যবাদ জানাল ডিবিএ ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’ চালু করল বাংলালিংক সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংকের ৩টি নতুন বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

রপ্তানি তথ্য সংশোধনে জিডিপি কমবে না: অর্থ মন্ত্রণালয়

কর্পোরট সংবাদ ডেস্ক: রপ্তানির তথ্য সংশোধনের ফলে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও মাথাপিছু আয় কমবে না বলে মনে করে অর্থ মন্ত্রণালয়। এক ব্যাখ্যায় মন্ত্রণালয় বলেছে, তথ্য সংশোধনের ফলে এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত রপ্তানি তথ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকবে না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, রপ্তানির বিপরীতে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসে, বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু সেই পরিমাণ অর্থ দেশের রপ্তানির পরিমাণ হিসেবে প্রকাশ করে থাকে। জিডিপি হিসাব করার সময় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বাংলাদেশ ব্যাংকের এ হিসাবকেই বিবেচনায় নেয়। ব্যাখ্যায় বলা হয়, সম্প্রতি পত্রপত্রিকায় রপ্তানি কমে যাওয়া এবং এর ফলে জিডিপি ও মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার যে আশঙ্কা করা হয়েছে, তা সঠিক নয়।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক রপ্তানি আয়ের তথ্য সংশোধন করে। এর ফলে গত দুই অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের প্রায় ২৩ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার উধাও হয়ে গেছে। এই তথ্য সংশোধনের ফলে দেশের অনেক আর্থিক পরিসংখ্যান ওলটপালট হয়ে গেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় ব্যাখ্যায় বলেছে, লেনদেনের ভারসাম্য বা ব্যালেন্স অব পেমেন্টের চলতি হিসাব এবং আর্থিক হিসাবের কিছু ক্ষেত্রে উপাত্তের পুনর্বিন্যাস হয়েছে। তবে এর ফলে ব্যালেন্স অব পেমেন্টের সার্বিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন আসবে না। এরই মধ্যে পুনর্বিন্যস্ত ব্যালেন্স অব পেমেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়, রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রদত্ত নগদ আর্থিক প্রণোদনার পরিমাণ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রকৃত রপ্তানি আয় প্রাপ্তি এবং তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষকের মাধ্যমে প্রকৃত নগদ প্রণোদনা নিরূপণের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। সুতরাং সরকার কর্তৃক রপ্তানির বিপরীতে যে নগদ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক রয়েছে। রপ্তানির তথ্য সংশোধনের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, রপ্তানির বিষয়ে এনবিআর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের মধ্যে সমন্বয় সাধন বা রিকনসিলিয়েশনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা উপাত্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে বর্তমানে একই পদ্ধতি অবলম্বন করছে। ফলে তিন প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি তথ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকবে না।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ