মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ দুর্গম এলাকার ৩০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা সরকারের আখেরি চাহার শোম্বা তাৎপর্য ও শিক্ষা কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৩২ বাংলা কিউআর লেনদেনে আন্তঃবিনিময় মাশুল শূন্য: বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? নোয়াখালীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পুড়ল ৫ দোকান আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে তানজিদ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী ঝুঁকি মোকাবিলায় ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

বাংলা কিউআর লেনদেনে আন্তঃবিনিময় মাশুল শূন্য: বাংলাদেশ ব্যাংক

ডিজিটাল লেনদেনের ব্যয় কমানো এবং দেশকে নগদ লেনদেননির্ভর অর্থনীতি থেকে বের করে আনতে বাংলা কিউআর লেনদেনে আন্তঃবিনিময় পুনর্ভরণ মাশুল (আইআরএফ) শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (১০ আগসট) ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, রাস্তার বিক্রেতা ও অতিক্ষুদ্র ব্যবসার লেনদেনের ব্যয় কমানো এবং ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে এ নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২।

পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২-এর সার্কুলার লেটার নম্বর ০৬ অনুযায়ী, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে সম্পন্ন লেনদেনের ক্ষেত্রে লেনদেন প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠান, অর্থাৎ যে প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের হিসাব থেকে অর্থ স্থানান্তর করে, ওই প্রতিষ্ঠান লেনদেন গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোনো ফি বা সেবা মাশুল নিতে পারবে না।

নির্দেশনাটি তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, অর্থ পরিশোধ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এবং অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে। এর ফলে বাংলা কিউআর ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের জন্য অভিন্ন শূন্য আন্তঃবিনিময় মাশুল ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে ২০২৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জারি করা পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের সার্কুলার নম্বর ০২/২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করা হয়েছে। তবে ওই সার্কুলারের অন্যান্য বিধান অপরিবর্তিত থাকবে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের ১ জুলাই জারি করা পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২-এর সার্কুলার লেটার নম্বর ০৫ বাতিল করা হয়েছে।

শূন্য আন্তঃবিনিময় মাশুল ব্যবস্থা ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এ জন্য ব্যাংক ও অর্থ পরিশোধ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও ব্যবস্থাপনাগত সমন্বয় করার সময় দেওয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যবসায়ীদের লেনদেনসংক্রান্ত ব্যয় কমানো এবং বাংলা কিউআরের ব্যবহার আরও বিস্তৃত করাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য। বিশেষ করে স্বল্পমূল্যের খুচরা লেনদেনে বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়াতে এ ব্যবস্থা সহায়ক হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগ দেশের আন্তঃব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি ‘নগদ লেনদেনবিহীন বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার বৃহত্তর লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পদক্ষেপ।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ