বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ওয়ালটন ফ্যান করপোরেট গভর্ন্যান্স অডিটে অস্বাস্থ্যকর ফি প্রতিযোগিতা - ফি নির্ধারণে নীতিমালা জরুরি, কম ফি নয়-মানসম্মত নিরীক্ষাই হোক প্রতিযোগিতার ভিত্তি একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি পুঁজিবাজারে বন্ধ বিও হিসাব চালুর সিদ্ধান্তকে বিএসইসিকে ধন্যবাদ জানাল ডিবিএ ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’ চালু করল বাংলালিংক সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংকের ৩টি নতুন বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব উদ্বোধন
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

জুলাইয়ে পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১২.৪৯ শতাংশ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। জুলাই মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আগের মাসের তুলনায় ১২.৪৯ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতেও উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

সর্বশেষ রপ্তানি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দেশের মোট পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪.৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। যা ২০২৬ সালের জুনে ছিল ৪.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ যোগান দেওয়া তৈরি পোশাক খাত জুলাই মাসে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। জুলাইয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা জুন মাসের ৩.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৪.৭৩ শতাংশ বেশি।

জুলাই মাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ৯১৮.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের তুলনায় ০.২৫ শতাংশ বেশি।

দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার ছিল জার্মানি, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪৯৫.৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। এর পরেই রয়েছে যুক্তরাজ্য, যেখানে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৭৮.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রধান রপ্তানি গন্তব্যগুলোর মধ্যে ভারত ও সৌদি আরবে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ভারতীয় বাজারে রপ্তানি ১৫.৩০ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ১০.৬৪ শতাংশ বেড়েছে।

বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে এই শক্তিশালী মাসভিত্তিক পুনরুদ্ধার চলতি অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে নীতিনির্ধারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সামনে শরৎকাল ও বছরের শেষের উৎসব মৌসুমকে ঘিরে নতুন রপ্তানি আদেশ পাওয়ার পাশাপাশি রপ্তানিকারকেরা অপ্রচলিত বাজারে সম্প্রসারণ এবং নতুন পণ্য যুক্ত করার মাধ্যমে আগামী মাসগুলোতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবেন।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ