বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি ছেলেকে বেঁধে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ - অভিযুক্ত আসামিদের বাড়িতে দিনে ভাংচুর, রাতে আগুন পাসপোর্ট হারালে বা নষ্ট হলে নতুন নিয়ম - দ্বিতীয়বার থেকে দিতে হবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা জেএমআই সিরিঞ্জসের শেয়ার অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন নভেম্বরে প্রকাশ পেতে পারে এইচএসসির ফলাফল জ্বালানি তেল কিনতে ৬ মাসে অতিরিক্ত খরচ ২৩ হাজার কোটি টাকা শিবপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচে সম্প্রীতি ও আনন্দের বন্ধন পুনরুজ্জীবিত হবে: মঈন খান মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ডেকে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩ তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক - বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়কমন্ত্রী
advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন

স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ: ১০ দিনেও মামলা নেয়নি পুলিশ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এক ছাত্রীকে অপহরণের ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। এবং ওই ছাত্রীকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। গত (৩ জুন) বাড়ি থেকে থানার সাহেবগঞ্জ বাজারে যাবার পথে দেশবন্ধু মাঠের পাশ থেকে তাকে অপহরন করে নিয়ে যায়।

সলঙ্গা থানায় জমা দেওয়া অভিযোগ সূত্রে যানা যায়, সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়ন কুমাজপুর গ্রামের বাসীন্ধা ও সাম্প্রতিক সাহেবগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের থেকে এস এস সি পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হয়েছে ঐ ছাত্রী।

যানা যায় গত ৩ জুন সাহেবগঞ্জ বাজারে যাওয়ার পথে কুমাজপুর এলাকার দেশ বন্ধু মাঠের পাশ থেকে কুমাজপুর গ্রামের মকুল হোসেনের ছেলে রাসেল রানা ও তার মামা সুমনের সহযোগীতায় একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। স্থানীয় কুলছুম নামে এক নারী তা দেখে ওই ছাত্রীর পরিবারকে অবগত করে। পরে ছাত্রীর পরিবার অনেক খোঁজাখুজির পর না পেয়ে ছাত্রীর মামা এরশাদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৫ জুন তিন জনকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এবিষয়ে ছাত্রীর মামা এরশাদুল ইসলাম জানায়, আমার ভাগ্নী অপহরনের ঘটনায় সলঙ্গা থানায় তাদের জমা দেওয়া লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুমন আলী (২৮) নামের এক যুবককে আটক করে ছেড়ে দিয়েছে। এরপর থেকে আসামিপক্ষের লোকজন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে। তবে পুলিশ বলছে, সুমন তাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছিলেন, তাই তাকে আটক করা হয়নি। তবে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করতে সুমনকে চাপ দেওয়া হয়েছে।’

ছাত্রীর মামা আরোও বলেন, আমার ভাগ্নী অপহরণ হয়েছে আমার ভাগ্নীকে উদ্ধার করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিবে তা না করে, থানা পুলিশের লোক জন আমাদের বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছে।
এবিষয়ে রাসেলের মামা সুমনের সাথে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সে ফোন কল রিসিভ করেন নাই।

এ বিষয়ে রাসেলের বাবা মুকুলের কাচিয়ার চরের বাড়িতে গেলে তার পরিবারের লোক জন বলেন,বিগত ৮ বছর যাবৎ রাসেলের সাথে কোনও যোগাযোগ নাই আমাদের। গত ৮ বছর আগে রাসেলের মা’ কে ডিভোর্স দিয়েছে তার বাবা মুকুল। সেই থেকে রাসেল তার মায়ের সঙ্গে নানা-নানি বাড়ি থানার কুমাজপুরে থাকে।

সলঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লতিফ বলেন,আমাদের উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে। তবে তাদের অভিযোগ সত্য না। তাদের আসতে বলেন, আমরা মামলা নেব।

সলঙ্গা থানার (তদন্ত) অফিসার তাজউদ্দিন আহম্মেদ জানান, থানায় একটি অভিযোগ করেছে ছাত্রী’র মামা, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তবে মামলাই বড় বিষয় না উদ্ধার করাটাই আমাদের মূললক্ষ। যে কোনও ভাবে ছেলে ও মেয়েকে আমরা উদ্ধার করবো।’

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ