শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০এক্স মেঘনার ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, নদীরকূলে এলাকাবাসীর মানববন্ধন শেখ হাসিনার দেশে ফিরার ঘোষণা ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি’ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেয়ার কেলেঙ্কারি - সাকিবসহ ১৫ জনের মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে, দ্রুত চার্জশিট শান্তা পিনাকলে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত দুই-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন

বিধবার ইজ্জতে মূল্য ৩ লাখ টাকা, নির্যাতিতা পেল দেড় লাখ

সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে বিধবা এক নারীর যৌন হয়রানীর শিকার হলে স্থানীয় প্রধানগন সালিশে তার ইজ্জতের মূল্য নির্ধারন করেন তিন লাখ টাকা। যার মধ্যে ভুক্তভোগী ওই নারী বুঝে পায় দেড় লাখ টাকা। বাকী টাকা যায় গ্রাম প্রধানদের পকেটে। এমনই ঘটনা ঘটেছে বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের মবুপুর গ্রামে।

স্থানীয় একাধিক সুত্র থেকে জানা যায়, মবুপুর গ্রামের সাহার ছেলে মুদি দোকানি আঃ রহিমের সাথে মৃত নজরুল ইসলামের স্ত্রী’র সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সময় স্থানীয়দের কাছে হাতে নাতে ধরা খায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় মুদি দোকানি আঃ রহিম গ্রাম প্রধান হাজী ফজলুর রহমান, রেজাউল করিম, সাইফুল ইসলাম সহ বেশ কয়েকজনকে ডেকে এনে একটি পাতানো গ্রাম্য সালিসি বৈঠক করেন। এতে তার কৃতকর্মের জন্য ৩ লাখ জরিমানা করা হয়। ভুক্তভোগী ওই নারীকে দেড়লাখ টাকা প্রধানরা বুঝিয়ে দিলেও বাকী টাকা যায় প্রধানদের পকেটে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) সকালে অভিযুক্ত মুদি দোকানি আঃ রহিমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

গ্রাম প্রধান রেজাউল করিম জানান, আমি এবিষয়ে কিছু জাননি না। একদিন হাজী ফজলুর রহমান চা খাওয়ার কথা বলে লোক মারফত আঃ রহিমের বাড়িতে আমাকে ডেকে পাঠান। আমি ওখানে গিয়ে দেখি একটা সালিসি বৈঠক হচ্ছে। ওই বৈঠকের সভাপতি ছিলেন রেজাউল করিম। তার মাধ্যমে বিচারের রায় হয়। রায়ে জরিমানার দেড়লাখ টাকা ভুক্তভোগী নারীকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু গ্রাম প্রধানরা একটা রায় দিয়েছেন তাই এবিষয়ে কোন নিউজ না করাই ভালো। নিউজ করলে প্রধানদের ইজ্জত থাকবে না বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বরকততুল্লাহ বলেন, আমি লোকমুখে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। কিন্তু আমাকে ডাকে নি। আমাকে মানে না বিধায় আমাকে না জানিয়ে এই বিচার কার্যক্রম শেষ করেছে । এদের একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। যাদের কাজ শুধু এগুলো করে বেড়ানো।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ