Corporate Sangbad
আইন-আদালত

পিকে হাওলদারের বিরুদ্ধে প্রথম রায় আজ

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর, ২০২৩, ১২:৩১ অপরাহ্ন · কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: ৪২৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং তা পাচারের অভিযোগে গ্লোবাল ইসলামী (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল) ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারের বিরুদ্ধে প্রথম রায় হচ্ছে আজ। বর্তমানে তিনি ভারতের কারাগারে বন্দি আছেন।

রোববার (৮ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে মামলার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হওয়ার পর গত বুধবার আদালত রায়ের জন্য আজকে তারিখ ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে যুক্তিতর্কে। অন্যদিকে কারাগারে থাকা আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা তাঁদের বেকসুর খালাস দাবি করেন।

গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ৯৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পি কে হালদার ছাড়া অন্য যাঁরা আসামি, তাঁরা হলেন পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, নিকটাত্মীয় পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অবন্তিকা বড়াল, শংখ ব্যাপারী, সুকুমার মৃধা অনিন্দিতা, অনন্য মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি। 

এই মামলায় অবন্তিকা বড়াল, শংখ ব্যাপারী, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধা কারাগারে রয়েছেন। অন্যরা পলাতক রয়েছেন। পি কে হালদার ভারতে কারাগারে আটক রয়েছেন। ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পি কে হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। এ ছাড়া ওই অর্থ আড়াল করতে বিদেশে পাচার করে মানি লন্ডারিং আইনেও অপরাধ করেন তিনি।

মামলাটি তদন্ত শেষে ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন।

কর্পোরেট সংবাদ/এএইচ