27 C
Dhaka
মে ২৬, ২০২০
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
আন্তর্জাতিক

আম্ফানের দাপটে পশ্চিমবঙ্গে ৭২ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সুপার সাইক্লোন আম্ফানের দাপটে পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্যে শুধুমাত্র কলকাতাতেই মারা গেছে ১৫ জন। এছাড়া হাওড়ায় ৭ জন, উত্তর ২৪ পরগনায় ১৭ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৮ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে ৬ জন এবং হুগলিতে ২ জন মারা গেছে।

অধিকাংশ লোকই বাড়ির দেয়াল চাপা পড়ে মারা গেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার ধারণা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

আম্ফান আসার আগেই উপকূলবর্তী সব এলাকায় মাইকিং করে সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলেছে পুলিশ। প্রায় ৫ লাখ মানুষকে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয় জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বুধবার (২১ মে) পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে, তাতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হওয়ার কথা। সেখানে ৭২ জনের মৃত্যু খুব বেশি সংখ্যা নয়। তাদের মতে, লকডাউনে মানুষ ঘরে থাকার কারণে মৃতের সংখ্যা কমেছে।

তবে প্রশাসনের ধারণা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে। তবে সে সংখ্যা হাজারের কাছাকাছি পৌঁছাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

লকডাউনের কারণে কাজে যেতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। অধিকাংশই বাড়িতে আটকে আছেন। একমাত্র দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা শ্রমিকরাই এই পরিস্থিতিতে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করেছেন। সুন্দরবন থেকেও বহু শ্রমিক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শ্রমিকের কাজ করতে যান। তাদের অনেকেই কিছুদিন আগে গ্রামে ফিরেছেন। তাদের কেউ এখনও আটকে রাস্তায়।

জেলেরাও মাছ ধরতে বেরতে পারেননি। জঙ্গলে মধু আনতে যেতে পারছেন না সুন্দরবনের বহু মানুষ। মাছের মিন ধরা থেকে কাঁকড়া শিকার-সবই বন্ধ। শুধু তাই নয়, কলকাতা শহরেও কার্যত সকলে গৃহবন্দি। অফিস এখনও খোলেনি। ফলে ঝড়ের সময় প্রায় সকলেই বাড়িতে ছিলেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কারণেই বহু মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছেন।

তবে লকডাউনের জেরে গত কয়েক মাস ধরে রাস্তাঘাটে বাস নেই। জেলেরা নৌকা তুলে রেখেছেন। শহরের অধিকাংশ মানুষ বাড়িতে বসে কাজ করছেন। বহু মানুষ কাজ হারিয়ে গৃহবন্দি। তাই শহর মফস্বলে রাস্তায় থাকা মানুষরা গাছ চাপা পড়ে মারা যাননি। দোকানের ওপর গাছ বা ল্যাম্প পোস্ট পড়ে অনেকের মৃত্যু হয়নি। যাত্রী বোঝাই বাসের ওপর গাছ পড়ে যায়, বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হতো বহু মানুষের। কিন্তু লকডাউনে  বুধবার দুপুর থেকে শহরে এবং গ্রামে রাস্তাঘাটে কার্যত কোনো লোক দেখা যায়নি।

তবে আম্ফানে প্রাণহানি তুলনামূলক কম হলেও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। ঘর হারিয়ে, সম্পত্তি হারিয়ে দিশেহারা মানুষ। তবে স্বস্তি একটাই-অন্তত প্রাণে বেঁচে গেছেন তারা। সূত্র : ডয়চে ভেলে

কর্পোরেট সংবাদ


আরো খবর »

দুর্নীতির অভিযোগে কাঠগড়ায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু

Tanvina

ঈদের দিনে ইরানে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প

Tanvina

৩৩ চীনা কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

Tanvina