27 C
Dhaka
মে ২৬, ২০২০
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
অর্থ-বাণিজ্য আর্কাইভ জাতীয় শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

ফুটপাতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে রাজধানীর ফুটপাতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে ফুটপাতের ভিড় থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকলেও নিম্নবিত্ত পরিবারের কম দামে কেনাকাটার ভরসাস্থল ফুটপাত। ফুটপাতের দোকানগুলোতে দর্শনার্থীর চেয়ে ক্রেতার সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আজ বুধবার রাজধানীর মিরপুর-১, ২, ১০, ১১, শেওড়াপাড়া ও কাওরানবাজার এলাকা ঘুরে এবং ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে এমন তথ্য।ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আগের চেয়ে বেচাকেনা বেড়েছে। এখানে যারা আসছেন কিনছেন। শারীরিক দূরত্ব রেখেই আমরা ক্রেতাসাধারণকে ক্রয় করার জন্য বলছি। শুধু তাই নয় আমরা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও রেখেছি। তবে গত বছরের তুলনায় বেচাবিক্রি অর্ধেক নেই বলেও জানান তারা।

এ ব্যাপারে মিরপুর ১০ নং সেকশনে গোল চক্করের ফুটপাতের ব্যবসায়ী পলাশ বলেন, বেচাকিনা আগের চেয়ে বেড়েছে। তবে গত বছরের অর্ধেকও এবছর বেচতে পারিনি। তিনি বলেন, নিম্নআয়ের মানুষেরা ঈদের প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় আমাদের কাছ থেকেই কিনে। আমাদের কাছ থেকে তারা অনেক কমে কিনতে পারে। তিনি আরো বলেন, শোরুমের দামের সাথে আমাদের দামের ব্যবধান অনেক। তাই নিম্নআয়ের মানুষের কেনাকাটার ভরসাস্থল হচ্ছে ফুটপাত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

১০ মে থেকে দোকান খুললেও প্রথমদিকে বেচাকেনা একেবারেই ছিল না। তবে দিন গড়াচ্ছে বেচাকেনা বাড়ছে বলে জানালেন মিরপুর ১১ নং সেকশনে ফুটপাতের দোকানী সুমন মিয়া। তিনি বলেন, আগের চেয়ে বেচা-বিক্রি বেড়েছে। এরকম আরো দুই-তিন দিন বেচাবিক্রি থাকলে আমার ও কর্মচারীর খরচা উঠাতে পারব। এদিকে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে অল্প পরিসরে ১০ মে থেকে বিপণিবিতানগুলো খুললেও বেচাকেনা তেমন নেই। মার্কেটে দর্শনার্থী আসলেও ক্রেতা অনেক কম। দিন শেষে বেচাকেনা হতাশ করছে ব্যবসায়ীদের। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা মার্কেটমুখী হচ্ছেন না বলেও মনে করছেন তারা।

তবে রাজধানীর প্রতিটি মার্কেটের প্রবেশ মুখেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবস্থা দেখা গেছে। শুধু তাই নয় প্রত্যেক দোকানিই হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রেখেছেন। কাস্টমার যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে উৎসাহিত করছেন বিক্রেতারা। ক্রেতারা মার্কেটের প্রবেশ মুখ থেকেই হাত পরিষ্কার করেই মার্কেটে প্রবেশ করছেন। এছাড়া দোকানগুলোর ভিতরেও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বার বার বলে সতর্ক করছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার যে ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার, আমরা সেটি মেনে চলছি এবং ক্রেতা সাধারণকেও সেটি মেনে চলার অনুরোধ জানাচ্ছি।

এদিকে, সরকার অনুমতি দিলেও শপিংমল থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকায় বসুন্ধরা সিটি শপিং মল ও যমুনা ফিউচার পার্ক খুলেনি। একই সঙ্গে ঢাকাসহ সারাদেশে প্রায় ৯৫ শতাংশ শপিংমলও বন্ধ রয়েছে।

অপরদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদের বাজার করার জন্য শপিং মলে ভিড় বাড়ছে। আর এই ভিড় থেকেই বিপুল সংখ্যক মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।


আরো খবর »

ব্যবসায়ী কুতুব উদ্দিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

*

করোনায় আক্রান্ত ডা. জাফরুল্লাহ

উজ্জ্বল

প্রধানমন্ত্রীকে ফোনে মোদীর ঈদ শুভেচ্ছা

*