31 C
Dhaka
মে ২৫, ২০২০
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
জানা অজানা স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল

করোনা ভাইরাসের লক্ষণ ও প্রতিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) বিশ্বের অন্তত ১০৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। নতুন করে এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬ হাজার ১৯৮ জন আক্রান্ত হয়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০০ জনে।

রোববার (৮ মার্চ) বাংলাদেশে ৩ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্তের বিষয় নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

করোনা ভাইরাসের লক্ষণ : 
জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের প্রধান লক্ষ্মণ।করোনা ভাইরাস মূলত ফুসফুসে আক্রমণ করে। সাধারণত জ্বরের সঙ্গে শুকনা কাশি দিয়ে শুরু হয়। জ্বর ও কাশির এক সপ্তাহের মাথায় শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয়। এসব লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে সাথে সাথে হাসপাতালে নিতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণ প্রকাশ পেতে ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এটাকে ইনকিউবেশন পিরিয়ড বলা হয়ে থাকে। অর্থাৎ রোগীর লক্ষণ প্রকাশের আগে এই ভাইরাস ব্যক্তির শরীরে এ সময় পর্যন্ত সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে।

প্রতি ৪ জনের মধ্যে অন্তত একজনের অবস্থা মারাত্মক পর্যায়ে যায় বলে মনে করা হয়। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে হালকা ঠান্ডা লাগা থেকে শুরু করে মৃত্যুর সব উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

প্রতিকার :
এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। তবে আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষের দিকে এই টিকা মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা যাবে। এই রোগ থেকে রক্ষার একমাত্র উপায় হলো অন্যদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ হতে না দেয়া।

ভাইরাস থেকে বাঁচতে যা যা করতে হবে: ১. আক্রান্ত ব্যক্তি হতে কমপক্ষে ২ হাত দূরে থাকতে হবে। ২. বারবার প্রয়োজনমতো সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে, বিশেষ করে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে কিংবা সংক্রমণস্থলে ভ্রমণ করলে। ৩. জীবিত অথবা মৃত গৃহপালিত/বন্যপ্রাণী থেকে দূরে থাকা। ৪. ভ্রমণকারীগণ আক্রান্ত হলে কাশি শিষ্টাচার অনুশীলন করতে হবে (আক্রান্ত ব্যক্তি হতে দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা, হাত ধোয়া, যেখানে-সেখানে কফ কাশি না ফেলা)। ৫. করমর্দন এবং কোলাকুলি না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়াও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রতিদিন বাড়ি-ঘর ভালো মতো পরিষ্কার করাও জরুরি। পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্য উপকরণ ঘরে রাখা জরুরি।

১. জীবাণুনাশক হ্যান্ডওয়াশ
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাসায় জীবাণু নাশক হ্যান্ডওয়াশ রাখা জরুরি। প্রতিবার খাবার রান্না বা তৈরি করার আগে ও পরে, খাবার খাওয়ার আগে ও পরে, বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে, বাইরে থেকে বাসায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই জীবাণু নাশক হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। 

২. জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে
রান্নাঘরের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার জরুরি। খাবার তৈরির আগে ও পরে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার করে রান্নাঘর পরিষ্কার করুন। যাতে কোনো রোগজীবাণু খাবারে ঢুকতে না পারে। রান্নাঘর ছাড়াও বাথরুম, লিভিং রুম, ডাইনিং রুম এবং বেডরুমও পরিষ্কার করুন জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে দিয়ে।
৩. রাবার গ্লাভস
হাড়ি-পাতিল ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার বা ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করা মতো গৃহস্থালি কাজের জন্য রাবার গ্লাভস ব্যবহার করুন।

৪. বক্সড টিস্যু
বাড়ির প্রতিটি ঘরে টিস্যু রাখুন। যাতে কাশি বা হাঁচির সময় হাত বাড়ালেই টিস্যু পাওয়া যায়।

৫. ভেজা টিস্যু, হান্ড স্যানিটাইজার এবং পকেট টিস্যু
জীবাণুনাশক ভেজা টিস্যু এবং স্যানিটাইজার ঘরে বা বাইরেও ব্যবহার করা যায়। যখন সাবান বা পানি পাওয়া যাবে না তখন এসব ব্যবহার করে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে।

কর্পোরেট সংবাদ/টিডি


আরো খবর »

চট্টগ্রামে আরও ৬৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত

উজ্জ্বল

একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২৮, শনাক্ত ১৫৩২

*

নরসিংদীতে আরো ৭ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ৩৬০

উজ্জ্বল