31 C
Dhaka
এপ্রিল ৮, ২০২০
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
শেয়ার বাজার

গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে বিএসইসি’র অনলাইন অভিযোগ মডিউলের

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তৈরী করা ‘কাস্টমার কমপ্লেইন্ট অ্যাড্রেস মডিউল’এর মাধ্যমে দ্রুত সমাধান হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ। ফলে বছরের পর বছর অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। এছাড়া এই অনলাইন মডিউলের কারণে অভিযোগকারীর হয়রানি এবং ব্যয় কমে এসেছে। আর তাই অভিযোগ করার এই অনলাইন মডিউলটির গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে।

অনলাইন মডিউল চালু হওয়ার আগে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিনিয়োগকারীদেরকে লিখিতভাবে অভিযোগ করতে হতো। অভিযোগের সেই কাগজ এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে যেতেই অনেকটা সময় ব্যয় হতো। তবে এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। ফলে মডিউলটি চালুর হওয়ার পরে একটি অনলাইনের অভিযোগ গড়ে সাড়ে ১৪ দিনেই সমাধান হয়ে যাচ্ছে। এটি শেয়ারবাজারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। এই মডিউলের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকেই অভিযোগ করা যায়। কা্উকে স্বশরীরে বিএসইসিতে আসতে হয় না।

বিএসইসির চেয়ারম্যান গতকাল (২৬ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক সেমিনারে বলেন, আমাদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো প্রটেকশন অব ইন্টারেস্ট অব ইনভেস্টর। কিন্তু তারা অভিযোগ নিয়ে অসহায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরত। তবে তারা কমপ্লেইন্ট মডিউলের মাধ্যমে সেগুলো অ্যাড্রেস করার উপায় পেয়েছে। আমরা আজকে পরিসংখ্যানের মাধ্যমে দেখলাম যে, ৯৫ শতাংশ সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। কাজেই এই মডিউল সৃষ্টির মাধ্যমে সকল স্টেকহোল্ডারদের জন্য একটি জবাবদিহিতার জায়গা তৈরি হয়েছে।

বিএসইসির পরিসংখ্যান অনুযায়ি, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর অনলাইন মডিউলটি চালু হওয়ার পরে মোট ২০৬টি অভিযোগ দাখিল করেছে বিনিয়োগকারীরা। এরমধ্যে ১৯৫টি বা ৯৫ শতাংশ সমাধান করা হয়ে গেছে। যেগুলো সমাধানে গড়ে সাড়ে ১৪দিন সময় লগেছে। বাকি ১১টি সমাধানের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

মডিউলটি চালু হওয়ার পরে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসে অক্টোবর মাসে। ওই মাসে ৮২টি অভিযোগ পায় কমিশন। এছাড়া নভেম্বর মাসে ৫৬টি, ডিসেম্বর মাসে ২৭টি, ফেব্রুয়ারি মাসে ২১টি, জানুয়ারি মাসে ১৯টি ও সেপ্টেম্বর মাসে ১টি অভিযোগ পায় কমিশন। ওইসব অভিযোগের মধ্যে জানুয়ারি মাসের ১টি এবং ফেব্রুয়ারি মাসের ১০টি সমাধানের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। অর্থাৎ আগের ৪ মাসের সব অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

গতকাল আয়োজিত এক সেমিনারে বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ বলেন, মডিউলটি চালু করার ক্ষেত্রে ডিএসই এবং সিডিবিএল সহযোগিতা করেছে। অধিকাংশ কাজই করেছে ডিএসই। এছাড়া মডিউলটি বিনিয়োগকারীদের কাছে পৌছানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালন করেছে গণমাধ্যম। তাই তিনি এই ৩টি গ্রুপকে সম্মানিত করার জন্য কমিশনের প্রতি আহ্বান করেন।

কর্পোরেট সংভাদ/টিডি

 


আরো খবর »

ব্যাংকের মত পুঁজিবাজারও খোলা রাখা যেতে পারে

Tanvina

ডিবিএ এর পক্ষ থেকে ইপনা কে ১০০০ পিস পিপিই প্রদান

Tanvina

বিএসইসি’র কমিশনার স্বপন কুমার বালার ১৬ এপ্রিল শেষ কর্মদিবস

Tanvina