32 C
Dhaka
অগাস্ট ৭, ২০২০
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
সম্পাদকীয়

প্রবৃদ্ধির সফলতা ধরে রাখতে আরো সতর্ক হতে হবে

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশে পরিণত হয়েছে। গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস ২০২০ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। সার্বিক বৈশ্বিক মানদণ্ডে এটি সুখবর বটে। তবে ততোধিক নয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ গতবারের তুলনায় এ বছর প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমেছে। তবু বলতে হয়, বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক টালমাটাল সময়ে এই অর্জনকে খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।

তবে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে আরো একটি সুখবর আছে। বিশ্বব্যাংকে মতে, আগামী দুই অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এই সূচকের নিচে নামার কোনো সম্ভাবনা নেই। এখানে একটু বলে রাখা ভালো যে, এই মুহূর্ত থেকে অর্থনীতির চাকাকে আরো কিছুটা গতিশীল করার প্রশ্নে আমাদের সতর্ক হতে হবে। ঘাটতির জায়গাগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করতে হবে।

বিশ্বব্যাংক বলেছে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ হলো তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। গত অর্থবছরে এখানে ৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তখন অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি রফতানি আয়ে দেশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে তুলনামূলক বিচারে ভালো ভূমিকা রাখে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে তখন বাংলাদেশ রফতানি আয়ে কিছুটা সুফল পায়।

আমরা মনে করি, সে সুবিধা এখনো সরে যায়নি। তবে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বিশ্বের ওপর যে নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলবে, তার কিছুটা হলেও বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। কিন্তু এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। বিশ্বের টালমাটাল সেই অর্থনীতিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে কেবল বাংলাদেশকেই মোকাবিলা করতে হবে, তা নয়। বিশ্বের প্রতিটি দেশকেই তা মোকাবিলা করতে হবে। অন্য দেশ পারলে আমরাইবা পারব না কেন? আমাদের উন্নয়নের ইতিহাস যা বলে, তাতে বাংলাদেশ তা স্বাচ্ছন্দ্যেই মোকাবিলা করতে সক্ষম। বিশ্বব্যাংক বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও রয়েছে বিনিয়োগ ঘাটতি। এছাড়া আর্থিক খাতে রয়েছে নানামুখী চ্যালেঞ্জ, যা অর্থনীতিতে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, এ ঘাটতি পূরণ করেই বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।

বিশ্বব্যাংক আরো বলেছে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশেই হবে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি। সুতরাং এই বক্তব্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশের উন্নয়নে যে বিনিয়োগ ঘাটতি ও আর্থিক খাতে নানা সমস্যা রয়েছে, তা মোকাবিলা করে এবং রাজস্ব সংস্কারে গতি আনয়নের মধ্য দিয়ে দেশ খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই তার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। জাতির এ প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসবে- এটুকুই প্রত্যাশা।

কর্পোরেট সংবাদ/এনটি/


আরো খবর »

স্বতন্ত্র পরিচালক প্যানেল গঠনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কতদুর ?

Corporate Sangbad Editor

সিএস প্রফেশন থেকেও বিএসইসি’র একজন কমিশনার চাই

Corporate Sangbad Editor

অনলাইন এজিএম, কারো পৌষমাস-কারো সর্বনাস !

Corporate Sangbad Editor