22 C
Dhaka
নভেম্বর ১৬, ২০১৯
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
অর্থ-বাণিজ্য আইন-আদালত

আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চায় দুদক

Dadok-5

নিজস্ব প্রতিবেদক : আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের পাশাপাশি অর্থপাচার, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও অপরাধীদের গতিবিধি তদারকি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধি দলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এ সহায়তা চেয়েছেন।

প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এফবিআইয়ের দক্ষ ও চৌকস কর্মকর্তারা বাংলাদেশে এসে দুদকের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে পারেন। এক্ষেত্রে দুদক হয়তো প্রশিক্ষকদের লোকাল হসপিটালিটির ব্যবস্থা করতে পারে। তদন্ত ও প্রসিকিউশনে অভিজ্ঞ রিসোর্স পারসনদের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চায় কমিশন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুর্নীতি একটি গর্ভানেন্স ইস্যু। আমরা সমন্বিতভাবে সরকারি পরিষেবা ব্যবস্থাপনায় উন্নয়নে চেষ্টা করছি। এক্ষেত্রে কমিশন বহুমাত্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিভেশনের (এফবিআই) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করতে চায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যার লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই এফবিআইকে চিঠি দিয়েছে দুদক। এই সমঝোতা স্মারক সই হলে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিনিধি দল দুদক চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চায়- দুদকের ৩০ শতাংশ মামলায় খালাস পাওয়ার কারণ কী? দুর্বল তদন্ত, দুর্বল প্রসিকিউশন নাকি অন্য কিছু? এর জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আপনার ধারণা হয়তো সবগুলোই সত্য। তবে বর্তমানে কমিশন তদন্ত এবং প্রসিকিউশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যাপক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে। কমিশনের মামলায় সাজার হার এক সময় মাত্র ২২ শতাংশে নেমে এসেছিল, যা বর্তমানে প্রায় ৭০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

তিনি বলেন, কমিশন দুই শতাধিক মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলার ১৬টি মামলায় বিচারিক আদালতে রায় হয়েছে। প্রতিটি মামলায় আসামিদের সাজা হয়েছে।

প্রতিনিধি দলের আরেক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কমিশন শুধু চুনোপুঁটিদের ধরছে না, রাঘব-বোয়ালদেরও ধরছে। অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আরও অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

মার্কিন প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের রেসিডেন্ট লিগ্যাল অ্যাডভাইসার এরিক ওপাঙ্গা, ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের জাস্টিস অ্যাডভাইজার রুশানি মানসুর প্রমুখ।

কর্পোরেট সংবাদ/ইউএস/

আরও পড়ুন: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রফতানি আয় কমেছে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

আরো খবর »

বেড়েছে চালের দাম

*

উড়োজাহাজে আনা হচ্ছে পেঁয়াজ

*

ছুটির দিনে জমজমাট আয়কর মেলা

*