20.3 C
Dhaka
নভেম্বর ১৯, ২০১৯
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
জাতীয় শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

ক্যাসিনো কান্ডে মেননের সম্পৃক্ততা পেলে ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : ক্যাসিনো থেকে রাশেদ খান মেননের চাঁদা নেয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

ক্যাসিনো থেকে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের চাঁদা নেয়ার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টা তদন্তাধীন। তবে আমি মনে করি, যদি এটি (মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ) সত্য প্রমাণিত হয়, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক হবে। যে ধরনের রাজনীতিবিদের নাম এখানে আসছে, সেটি আসাটাই উচিত হয়নি। আসাটা আমরা কখনও কল্পনা করিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘যে কারও নাম যদি আসে তাদের বিরুদ্ধে তো দেশের আইন আছে, আইন অনুযায়ী অবশ্যই ব্যবস্থা হবে।’

উল্লেখ্য, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ঢাকার ইয়াংমেনস ক্লাবের চেয়ারম্যান। এই ক্লাবের মালিক যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়্যা। র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে খালেদ ক্যাসিনো থেকে মেননের টাকা নেয়ার তথ্য দিয়েছেন। খালেদের গুরু বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটও মেননের নাম বলেছেন।

তাদের দেয়া তথ্যমতে, মেনন প্রতি মাসে সম্রাটের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা নিতেন। এমনকি প্রতি মাসে নিয়মিত মাসোহারা না পেলে তিনি অকথ্য ভাষায় যুবলীগের নেতাদের গালিগালাজ করতেন। জুয়ার টাকায় ঘন ঘন বিদেশ ভ্রমণসহ বিলাসী জীবনযাপন শুরু করেন বর্ষীয়ান এই বামপন্থী নেতা। ইয়ংমেনস ক্লাব থেকে র‌্যাবের উদ্ধার করা চাঁদাবাজির খাতায় মেননের নাম রয়েছে ৫নং সিরিয়ালে।

এছাড়া রাজনৈতিক নেতা নামধারী অনেকেই সম্রাটের দফতরে হাজির হতেন জুয়ার টাকার ভাগ নিতে। প্রতি মাসে ব্যাগভর্তি করে জুয়ার টাকা নিয়ে তারা বেরিয়ে যেতেন। সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজেও এর প্রমাণ রয়েছে। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের বিভিন্ন নেতা ছাড়াও টাকার ভাগ পেতেন পল্টন, মতিঝিল ও ফকিরাপুল এলাকার প্রভাবশালীরা।

সূত্র জানায়, রাশেদ খান মেননের শেল্টারেই ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাবে ক্যাসিনো গড়ে ওঠে। ইয়ংম্যানস ক্লাবের ক্যাসিনো পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আরেক বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমদু ভূঁইয়া।

জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট জানিয়েছেন, আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী থেকে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে যুবলীগের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করেন রাশেদ খান মেনন। খালেদকে আরও বড় পদ-পদবি দেয়ার জন্য তিনি বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলে তদবির করেন। মেননের আশ্রয় পেয়ে রাজধানীর বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন খালেদ। রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে খালেদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য থেকে শুরু করে উন্নয়ন কাজ ও শিক্ষার্থী ভর্তিতে বিপুল অংকের টাকা লেনদেন হয়। খালেদের মাধ্যমে এই টাকার একটি বড় অংশ চলে যেত রাশেদ খান মেননের পকেটে।

আরো খবর »

মাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতে এরিকের জিডি

*

লিবিয়ায় বিমান হামলায় ৫ বাংলাদেশি নিহত

*

পুলিশ ব্যবহার করে এই সরকার টিকে আছে : আ স ম রব

*