30.2 C
Dhaka
নভেম্বর ১৮, ২০১৯
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
অর্থ-বাণিজ্য আর্কাইভ শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

আসবাবপত্র রফতানি বেড়েছে ১৮ শতাংশ

আসবাবপত্র

ডেস্ক রির্পোট: দেশের বাইরে ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র বা গৃহস্থলী পণ্য। গত এক দশক ধরে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে এখাতে রফতানি আয়। ফলে বিশ্ববাজারে ইতোমধ্যে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র।

এর ধারাবাহিকতায় সদ্যবিদায়ী অর্থবছরে ৭ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন ডলারের আসবাবপত্র রফতানি হয়েছে যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ বেশি। বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে আসবাবপত্র রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ কোটি ডলার। আর বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে আসবাবপত্র রফতানি হয়েছিল ৬ কোটি ৩১ লাখ ডলারের।

দেশের আসবাবপত্রশিল্প ব্যবসায়ীরা বলছেন, গুণগতমান এবং যুগোপযোগি নকশায় আসবাবপত্র তৈরির ফলে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র প্রিয় হয়ে উঠছে। তাই নতুনত্ব আর আধুনিকতায় গত এক দশকে অনেক দূর এগিয়েছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র শিল্প।

বর্তমানে আরব বিশ্ব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মূলত বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র রফতানি হচ্ছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র,যুক্তরাজ্য,জাপান,অস্ট্রেলিয়া,ভারত,রাশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে রফতানি শুরু হয়েছে।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রফতানি আয় ৪৮ লাখ ডলার বেশি হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আসবাবপত্র রফতানিকারক সমিতির সভাপতি কে এম আক্তরুজ্জামান বলেন, নিত্যনতুন নকশা, মানসম্মত কাঠ আর কারিগরদের দক্ষতায় তৈরি করা বাংলাদেশের আসবাবপত্রের মান খুব ভালো। ফলে প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাই বিশ্ববাজারে চীনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশকে ভাবা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, রফতানির পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের বিপুল চাহিদা মেটাতেও সক্ষম হচ্ছে দেশীয় আসবাবপত্র। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ ও বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য গুণগতমান উন্নয়ন এবং ডিজাইনে প্রতিনিয়ত নতুনত্ব আনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মহাপরিচালক অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, দেশের আসবাবপত্র শিল্পকে স্থায়ী রফতানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। নতুন বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৈচিত্র্যপূর্ণ পণ্য তৈরি এবং রফতানিতে উৎসাহ প্রদানে ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

ওয়ালটনের নচ ডিসপ্লে ফোনের প্রি অর্ডারে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের মেলা আজ

আরো খবর »

ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য তূর্ণার চালক-গার্ডই দায়ী : তদন্ত প্রতিবেদন

*

শীতকালে পা ফাটা রোধে করণীয়

*

আইসিসি রায় দিলে সু চি গ্রেফতার হবেন : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

*