হোম স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল কোন ধরনের প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করা নিরাপদ?

    কোন ধরনের প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করা নিরাপদ?

    সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : at 12:50 pm
    248
    0
    প্লাস্টিকের পাত্র

    ডেস্ক রির্পোট: প্লাস্টিকের বোতলে আমরা অনেকেই পানি রাখি, পানি খাই। প্লাস্টিকের তৈরি পাত্রে খাবার রাখি। অনেকেই খেয়াল করে থাকবেন, প্রতিটি প্লাস্টিকের বোতল বা পাত্রের নীচে ত্রিভুজাকৃতি ছাঁচের মধ্যে কিছু নম্বর লেখা থাকে। এই নম্বরই নির্দেশ করে প্লাস্টিকের তৈরি ওই পাত্রটি কত দিন বা কত বার ব্যবহার করা উচিত। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন নম্বরের কী মানে…

    ১. ত্রিভুজের মধ্যে ‘১’ লেখা থাকলে তার অর্থ হল, পাত্রটি পলিথাইলিন টেরেপথ্যালেট জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ, এই প্লাস্টিকের পাত্রগুলি মাত্র এক বারই ব্যবহারযোগ্য। একবারের বেশি এগুলি ব্যবহার করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।

    Spellbit Limited

    ২. যদি পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘২’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, পাত্রটি ঘন, অস্বচ্ছ পলিথিন বা এইচডিপিই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। ডিটারজেন্ট, শ্যাম্পু, টয়লেট ক্লিনারের বোতল এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি হয়। এগুলিতে খাবার বা পানীয় পানি রাখা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।

    ৩. পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৩’ লেখা থাকলে তার অর্থ হল, এই ধরনের পাত্র পলিভিনিল ক্লোরাইড বা পিভিসি দিয়ে তৈরি। খাবারের শক্ত মোড়ক বা রান্নার তেলের পাত্র এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি করা হয়। একবারের বেশি এগুলি ব্যবহার করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।

    ৪. যদি পাত্রের নীচে ‘৪’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, এই ধরনের পাত্র এলডিপিই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। এই ধরনের পাত্রে একাধিকবার পানীয় পানি বা খাবার রাখা যেতে পারে। তবে সপ্তাহ খানেকের বেশি ব্যবহার না করাই ভাল।

    ৫. যদি পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৫’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, এই ধরনের পাত্র ব্যবহার করা একেবারে নিরাপদ। সসের বোতল, পানির বোতল বা সিরাপের বোতল এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি।

    ৬. পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৬’ লেখা থাকলে তার অর্থ হল, এই ধরনের পাত্র পলিস্টিরিন বা স্টাইরোফোম জাতীয় উপাদান দিয়ে তৈরি। এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি পাত্রে খাবার গরম করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। আর বেশি ব্যবহার না করাই ভাল।

    ৭. যদি পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৭’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, এই ধরনের পাত্র ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। খাবার বা কোনও রকম পানীয় রাখা একেবারেই উচিত নয়।সূত্র-জি নিউজ।

    আরও পড়ুন:
    পিঠের মেদ ঝরাবেন যেভাবে
    চাকরিজীবী নারীদের ফিট থাকার উপায়
    খারাপ বোধ না করেও যেভাবে কাউকে না বলা যায়