26 C
Dhaka
এপ্রিল ৭, ২০২০
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
অর্থ-বাণিজ্য

তালিকাবহির্ভূত কোম্পানিতে বিনিয়োগে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ

BANGLADESH BANK V

ডেস্ক রিপোর্ট: তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানিতে বিনিয়োগকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বাইরে ধরা হবে এ ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি জারি করা প্রজ্ঞাপনটির পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল নীতিমালাটি সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, পুঁজিবাজারে চলমান তারল্য সংকট কাটিয়ে তুলতে সম্প্রতি ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা থেকে তালিকাবহির্ভূত কোম্পানি সিকিউরিটিজকে বাদ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পুঁজিবাজারে ব্যাংকের (একক ও সমন্বিত) বিনিয়োগ হিসাবের ক্ষেত্রে অ-তালিকাভুক্ত নন-কনভার্টিবল প্রিফারেন্স শেয়ার, নন-কনভার্টিবল বন্ড, ডিবেঞ্চার, ওপেন-ইন্ড মিউচুয়াল ফান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। এতে ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুসারে, স্পেশাল পারপাস ভেহিক্যাল (এসপিভি), অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও সমজাতীয় তহবিলের বাস্তবায়িত বা বাস্তবায়নাধীন সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ করা অর্থ ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোজারের বাইরে থাকবে। এসব খাত ও কোম্পানির মধ্যে আছে সরকারি উদ্যোগের অবকাঠামো প্রকল্প, যেমন বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো, সড়ক ও সেতুসহ যোগাযোগ অবকাঠামো, পর্যটন অবকাঠামো, ডিজিটাল অবকাঠামো প্রভৃতি।

সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের (পিপিপি) আওতায় রয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো, সড়ক ও সেতুসহ যোগাযোগ অবকাঠামো, পর্যটন অবকাঠামো, ডিজিটাল অবকাঠামো প্রভৃতি। বেসরকারি খাতে রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো, সড়ক ও সেতুসহ যোগাযোগ অবকাঠামো, পর্যটন অবকাঠামো, ডিজিটাল অবকাঠামো প্রভৃতি।

পূর্ণাঙ্গ নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংক স্বার্থসংশ্লিষ্ট হবে না। অবকাঠামোগত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকল্পটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। ইকুইটি শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শেয়ারের মোট ক্রয়মূল্য ব্যাংকের আদায় করা মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইল্ড আর্নিংসের মোট পরিমাণের পাঁচ শতাংশের বেশি হবে না। এছাড়া ক্রয় করা শেয়ারের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আদায় করা মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি হবে না।

এর আর্থিক বিবরণীও প্রস্তুত করতে হবে। প্রতি ইউনিট শেয়ারের ক্রয়মূল্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রিমিয়ামসহ সংশ্লিষ্ট সময়ের এনএভির ১১০ শতাংশের বেশি হবে না। বিনিয়োগ করা শেয়ার নন-কনভার্টিবল হতে হবে। প্রিফারেন্স শেয়ারে বিনিয়োগকে ঋণ হিসেবে দেখিয়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ সঞ্চিতি ও সিআইবিকে জানাতে হবে।
এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতেও বেশকিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ব্যাংককে প্রতি তিন মাস অন্তর এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে জমা দিতে হবে।

এর ফলে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইকুইটি শেয়ারে বিনিয়োগের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের একক গ্রাহক ঋণসীমা ও পরিশোধিত মূলধনের ২২ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে। আর বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রেও ৬০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের একক গ্রাহক ঋণসীমা ও পরিশোধিত মূলধনের ২০ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে।
এদিকে প্রজ্ঞাপনে আলোচিত খাতগুলোর যে কোনো প্রকল্পে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা নতুনভাবে বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুসারে সরকারি উদ্যোগের অবকাঠামো প্রকল্প, যেমন বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো, সড়ক ও সেতুসহ যোগাযোগ অবকাঠামো, পর্যটন অবকাঠামো ও ডিজিটাল অবকাঠামোতে একটি ব্যাংক সর্বোচ্চ ৭০০ কোটি টাকা অথবা একক গ্রাহক ঋণসীমা তথা সিঙ্গেল বেরিয়ার এক্সপোজারের মধ্যে যেটি কম সে পরিমাণ পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবে। বিনিয়োগের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

আরও পড়ুন: ইউসিবি‘র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে যোগদান করেছেন হাবিবুর রহমান


আরো খবর »

১৪ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধের অনুরোধ বিজিএমইএ

*

ডট বাংলা ও ডট বিডি নবায়নে বিলম্ব মাশুল মওকুফ

*

এপ্রিলের বেতন ৩০ এপ্রিলেই পাবেন শ্রমিকরা: গভর্নর 

*