হোম আর্কাইভ জেএমআই সিরিঞ্জেস দীর্ঘমেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এ প্লাস’

জেএমআই সিরিঞ্জেস দীর্ঘমেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এ প্লাস’

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : at 10:47 am
77
0
জেএমআই সিরিঞ্জ

শেয়ারবাজার ডেস্ক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ঔষধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি জেএমআই সিরিঞ্জেস অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইসেস লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফা রেটিং)। সূত্র: ডিএসই।

কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এ প্লাস’ এবং স্বল্প মেয়াদে পেয়েছে ‘এসটি২’। ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও সর্বশেষ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

Spellbit Limited

গতকাল ডিএসইতে শেয়ারদর আট দশমিক ৭৪ শতাংশ বা ৩৩ টাকা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৪১০ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও একই ছিল। দিনজুড়ে দুই লাখ ৭৩ হাজার ৮৭২টি শেয়ার তিন হাজার ১০৫ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১০ কোটি ৮১ লাখ টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৩৭৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪১০ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ১৭৩ টাকা থেকে ৫০০ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

কোম্পানিটির ১ কোটি ১১ লাখ শেয়ার কিনবে জাপানের নিপরো করপোরেশন। বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের বাইরে (নিপরোর অনুকূলে) নতুন শেয়ার ইস্যুর প্রক্রিয়া এবং এগুলোর প্রস্তাবিত দর অনুমোদনে ইজিএম আহ্বান করেছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি বিনিয়োগকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জেএমআই সিরিঞ্জেস অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইসেস কর্তৃপক্ষ জানায়, নিপরোর কাছ থেকে পাওয়া মূলধন বিনিয়োগকৃত অর্থে ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যয় করবে তারা। তবে নিপরোর বিনিয়োগ গ্রহণের পুরো বিষয়টি কোম্পানির বিনিয়োগকারী, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনসাপেক্ষে বাস্তবায়নযোগ্য।

জেএমআই সিরিঞ্জের বিদ্যমান শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ১০ লাখ। নিপরোর কাছে ১ কোটি ১১ লাখ শেয়ার বিক্রি করলে কোম্পানিটির শেয়ারের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ২১ লাখ, যা তাদের পরিশোধিত মূলধনও দ্বিগুণের চেয়ে কিছুটা বাড়াবে। তখন নিপরো হবে কোম্পানিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারহোল্ডার। পুরো বিষয়টিতে শেয়ারহোল্ডাদের অনুমোদনের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় রাজধানীর শান্তিবাগে কোম্পানির কার্যালয়ে ইজিএম আয়োজন করা হবে।

৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৮৬ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৭১ টাকা ২৭ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর ১৮) কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৭৪ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময় ছিল ২ টাকা ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ এ কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৯৫ পয়সা।

কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১১ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে ৪৯ দশমিক ৩১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, প্রতিষ্ঠান ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ, ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ বিদেশী ও বাকি ৩১ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে।

আরো পড়ুন: ব্লক মার্কেটে ১০ কোম্পানির ২ কোটি টাকার লেনদেন