হোম শিরোনাম সম্ভাবনার পথে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিবিএস কেব্লস

    সম্ভাবনার পথে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিবিএস কেব্লস

    সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : at 1:56 pm
    98
    0
    bbs cabalce

    শেয়ারবাজার ডেস্ক: গতকাল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিবিএস কেব্লস কোম্পানির শেয়ারদর চার টাকা ১০ পয়সা বা ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেড়ে সবশেষ লেনদেন হয় ১১১ টাকায়। লেনদেন শেষে সবশেষ দর হয় ১১০ টাকা ৬০ পয়সায়। গতকাল শেয়ারটির দর ১১১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১০৭ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে। এদিন কোম্পানিটির ২৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৭০টি শেয়ার চার হাজার ৩২ বার হাতবদল হয়, যার মোট মূল্য ২৯ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

    প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৮) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.০৬ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.৫৭ টাকা। অর্থাৎ চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে মুনাফায় প্রবৃদ্ধি এসেছে ৯৪.৯০ শতাংশ। ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৩৭ পয়সায়, যা ৩০ জুন, ২০১৮ পর্যন্ত ছিল ২৪ টাকা ৩১ পয়সা।

    Spellbit Limited

    সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, কোম্পানির মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৯ দশমিক ০৪। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২৬ দশমিক ৮৪।

    ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮.০৮ টাকা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২৪ টাকা ৩১ পয়সা।

    ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল বিবিএস কেবলস। এক বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৪.১২ টাকা। ৩০ জুন কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯.১৭ টাকায়

    সবশেষ ঋণমান অবস্থানের দিক থেকে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর) কোম্পানিটিকে দীর্ঘমেয়াদে ‘এ প্লাস’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-টু’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। ৩০ জুন, ২০১৮ পর্যন্ত কোম্পানির নিরীক্ষিত বার্ষিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হয়েছে।

    এদিকে আগামী ১২ জানুয়ারী, শনিবার থেকে বিবিএস কেবলসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রকল্পের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। কোম্পানিটির বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ১৬ হাজার ৬৬০ মেট্রিক টন। আইপিও প্রকল্পটি উৎপাদনের আসার পর এর উৎপাদন ক্ষমতা ৬ হাজার ১০০ মেট্রিক টন বৃদ্ধি পেয়ে ২২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। এতে কোম্পানিটির উৎপাদন ক্ষমতা ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। যার উৎপাদিত পণ্যের মূল্য দাঁড়াবে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

    বর্তমানে এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১৩৮ কোটি টাকা। রিজার্ভে আছে ৯২ কোটি ৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ারসংখ্যা ১৩ কোটি ৮০ লাখ; বর্তমানে যার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকের হাতে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১১ দশমিক ৯৬, বিদেশী ১ দশমিক শূন্য ২ ও বাকি ৫৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ২০১৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে।

    আরও পড়ুন: এক বছরে রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমেছে ৭৬ শতাংশ