হোম আর্কাইভ এক বছরে রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমেছে ৭৬ শতাংশ

এক বছরে রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমেছে ৭৬ শতাংশ

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : at 11:15 am
77
0
রূপালী ব্যাংক

পুঁজিবাজার ডেস্ক: পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক লিমিটেড লোকসান কাটিয়ে ২০১৭ সালে মুনাফায় ফেরে। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবার তা দাঁড়িয়েছে ৩৭০ কোটি টাকা। এ সময়ে লোকসানি শাখা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে ব্যাংকটি। এক বছরেই ৭৬ শতাংশ লোকসানি শাখা কমেছে রূপালী ব্যাংকের।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, খেলাপি ঋণ আর প্রভিশনের জেরে ২০১৬ সালে প্রায় ১০০ কোটি টাকা লোকসান গুনেছিল রূপালী ব্যাংক। ২০১৭ সালে পরিচালনা-ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তনের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্যাংকটি। ওই বছরে প্রায় ৫৪১ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করেছিল রূপালী ব্যাংক, যা ব্যাংকটির ৪৫ বছরের মধ্যে পরিচালন মুনাফার সর্বোচ্চ রেকর্ড। সর্বশেষ ২০১৮ সালে প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করেছে ব্যাংকটি।

Spellbit Limited

এদিকে মুনাফায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে দু’বছরে লোকসানি শাখা কমানোর ক্ষেত্রেও সাফল্য পেয়েছে রূপালী ব্যাংক। ২০১৮ সাল শেষে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার সংখ্যা আটটিতে নেমে এসেছে। এর আগের বছরেও ব্যাংকটির ৩৩টি শাখা লোকসানে ছিল। এ হিসেবে এক বছরেই রূপালী ব্যাংকের লোকসানি শাখার সংখ্যা ৭৬ শতাংশ কমেছে। এর আগে ২০১৬ সালে ব্যাংকটির লোকসানি শাখার সংখ্যা ছিল ১৪৩টি। এ হিসেবে গত দুই বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির ১৩৫টি শাখা লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে।

লোকসান থেকে বড় অঙ্কের মুনাফায় ফেরা ও লোকসানি শাখা কমানোকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন ব্যাংক খাতের বিশেষজ্ঞরা। রূপালী ব্যাংকের সাফল্য বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, ‘সরকারের একসময়ের লোকসানি ব্যাংকটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে জেনে খুব ভালো লাগছে। আমার মনে হচ্ছে, দেরিতে হলেও রূপালী ব্যাংক একটি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াতে পেরেছে। সব প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে, এমনটি আশা করছি।’

একইভাবে রূপালী ব্যাংকের সাম্প্রতিক সাফল্যকে ব্যাংক খাতের জন্য ‘সুখকর’ বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ড. খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। তিনি বলেছেন, ‘রূপালী ব্যাংকের সাফল্যের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা হলে অন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোও এগিয়ে যেতে পারবে। তাহলে স্বচ্ছতা-জবাবহিদিতা, সময়োপযোগী ব্যবস্থাপনা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের ওপর ভর করে সেগুলোও দুর্দিন কাটিয়ে শক্ত অবস্থানে যাবে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশ শেয়ারই সরকারের হাতে রয়েছে। এর বাইরে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে দুই দশমিক ৯৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছয় দশমিক ৮৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ২০১৭ সালে বিনিয়োগকারীদের ২৪ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। লোকসান থেকে মুনাফায় ফেরায় ব্যাংকটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে, যে কারণে দুই বছরে রূপালী ব্যাংকের শেয়ারদরও বেড়েছে। গতকাল রূপালী ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ার ডিএসইতে ৪২ টাকা ২০ পয়সায়

আরও পড়ুন: ‘এ’ ক্যাটাগরিতে এডভেন্ট ফার্মা