হোম অর্থ-বাণিজ্য পাম অয়েল রফতানিতে শুল্কছাড় ইন্দোনেশিয়ার

পাম অয়েল রফতানিতে শুল্কছাড় ইন্দোনেশিয়ার

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : at 2:07 pm
54
0

মালয়েশিয়ার পথ ধরে পাম অয়েল রফতানির নীতমালা শিথিল করেছে ইন্দোনেশিয়া। এর ফলে দেশটি থেকে টনপ্রতি ৫৭০ ডলারের কম দামে পাম অয়েল রফতানিতে কোনো শুল্ক দিতে হবে না। এদিকে মজুদ বৃদ্ধির সম্ভাবনায় মালয়েশিয়ার বাজারে পণ্যটির দাম নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে। খবর রয়টার্স।

গত বুধবার ইন্দোনেশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটিতে পাম অয়েলের দাম কমতে থাকায় পণ্যটি রফতানির নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা তাত্ক্ষণিক কার্যকর হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে পাম অয়েল টনপ্রতি ৫৭০ ডলারের কম দামে রফতানি হলে কোনো কর দিতে হবে না। তবে পণ্যটির রফতানি মূল্য ৫৭০ থেকে ৬১৯ ডলার হলে প্রতি টনে ১০ থেকে ২৫ ডলার কর দিতে হবে। পণ্যটির রফতানি মূল্য ৬১৯ ডলারের বেশি হলে ২০ থেকে ৫০ ডলার করে শুল্ক আদায় করা হবে।

Spellbit Limited

এর আগে মালয়েশিয়াও চলতি মাসে বিনা শুল্কে পাম অয়েলের রফতানির কথা জানায়। উৎপাদন বৃদ্ধির বিপরীতে রফতানি কমতে থাকায় দেশটিতে পাম অয়েল মজুদ বাড়ছে। এতে স্থানীয় বাজারে পণ্যটির দাম কমছে। গত বুধবার বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহের চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম কমেছে ১ দশমিক ২ শতাংশ। দিন শেষে পণ্যটির টনপ্রতি ১ হাজার ৯৯৫ রিঙ্গিতে (৪৮০ দশমিক ৪৩ ডলার) স্থির হয়। লেনদেনের এক পর্যায়ে পণ্যটির দাম ১ হাজার ৯৯০ রিঙ্গিতে নেমে আসে, যা আগের দিনের চেয়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশ কম। এদিন মোট ২৭ হাজার ৯৩৭ লট (এক লটে ২৫ টন) পণ্য লেনদেন হয়।

কুয়ালালামপুরের এক ব্যবসায়ী বলেন, নভেম্বরের সমাপনী মজুদ বৃদ্ধির শঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ায় রফতানি শুল্কের সাময়িক অব্যাহতি নিশ্চিত হওয়ায় পাম অয়েলের দাম কমেছে। তার মতে, শুল্ক অব্যাহতির কারণে ইন্দোনেশীয় পণ্য সস্তা হয়ে উঠবে। এতে মালয়েশীয় পণ্যের চাহিদা কমে আসবে।

রয়টার্সের জরিপে দেখা গেছে, নভেম্বর শেষে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ সম্ভবত ৩০ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে, যা কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ সময়ে উৎপাদন ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১৯ লাখ ১০ হাজার টনে নেমে এসেছে বলে মনে হচ্ছে। এছাড়া রফতানি ১০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১৪ লাখ ১০ হাজার টনে নেমে আসতে পারে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে।

পাম অয়েল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় উদ্ভিজ তেল। খাবার থেকে শুরু করে প্রসাধন পর্যন্ত নানা সামগ্রী তৈরিতে পণ্যটি ব্যবহার হয়। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া পণ্যটির দুই শীর্ষ উৎপাদক ও রফতানিকারক। এ দুই দেশে পাম অয়েলের দামের উত্থান-পতন বৈশ্বিক ভোজ্যতেলের বাজারকেও প্রভাবিত করে। @বণিকবার্তা

আরও পড়ুন: ১৩০ টি প্রতিষ্ঠানকে ৭.৭৩ লক্ষ টাকা জরিমানা