হোম আইপিও/রাইট ইস্যু/রেকর্ড ডেট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইপিও অর্থ ব্যবহার করতে পারেনি দুই কোম্পানি

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইপিও অর্থ ব্যবহার করতে পারেনি দুই কোম্পানি

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : at 9:12 pm
91
0
IPO

শেয়ারবাজার ডেস্ক: আইপিও অর্থ ব্যবহারে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত টাকা ব্যবহার করতে পারেনি দুই কোম্পানি। এগুলো হলো- নূরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার এবং শেফার্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির আইপিও তহবিল ব্যবহার-সংক্রান্ত কোম্পানির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে কোম্পানি দুইটি ৬৩ কোটি টাকা তুলেছে। এর মধ্যে কোম্পানিগুলো খরচ করেছে ৩১ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৫১ টাকা। আর এখনও খরচ করতে পারেনি ৩১ কোটি ৫০ লাখ ২৭ হাজার ২৬৩ টাকা।

Spellbit Limited

শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ: আইপিও-এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। চলতি বছরের গত ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইপিও টাকা ব্যবহার করার কথা ছিল। কিন্তু ২০১৭ সালের ৮ মার্চ আইপিও তহবিল হাতে পাওয়ার পর কোম্পানি ব্যবহার করেছে ১৩ কোটি ৮ হাজার ২৬৫ টাকা। অব্যবহৃত রয়েছে মাত্র ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৯১ হাজার ৭৩৫ টাকা।

নিরীক্ষকের প্রতিবেদন অনুসারে, আইপিও তহবিল হাতে পাওয়ার ১৮ মাসের মধ্যে কোম্পানি নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপন বাবদ ৫ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ৫২৫ টাকা, ভবন নির্মাণ বাবদ ২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা, ব্যাংক ঋণবাবদ ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা ও আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহে ৫৮ লাখ ৯৯ হাজার ৫০৬ টাকা খরচ করেছে। ইটিপির পুরো অর্থ এবং ভবন নির্মাণ ও নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপন অর্থের কিছুটা অব্যবহূত রয়েছে। সব মিলিয়ে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত মোট আইপিও তহবিলের ২০ কোটি টাকার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ১৩ কোটি ৮ হাজার ২৬৫ টাকা। অব্যবহৃত রয়েছে ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৯১ হাজার ৭৩৫ টাকা।

নূরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার: আইপিও-এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি ৪৩ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। গত ১১ নভেম্বর, ২০১৮ এর মধ্যে আইপিও টাকা ব্যবহার করার কথা ছিল। কিন্তু গত বছরের ১ জুন আইপিও তহবিল হাতে পাওয়ার পর কোম্পানি ব্যবহার করেছে ১৮ কোটি ৪৯ লাখ ৬৪ হাজার ৪৭২ টাকা। অব্যবহৃত রয়েছে ২৪ কোটি ৫০ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৮ টাকা।

নিরীক্ষকের প্রতিবেদন অনুসারে, আইপিও তহবিল হাতে পাওয়ার ১৮ মাসের মধ্যে কোম্পানি নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি বাবদ ২৪ কোটি ৩৩ লাখ, স্টিলের কাঠামো ও ভবন নির্মাণ বাবদ ৪ কোটি ৮৩ লাখ ১৬ হাজার ৪০৮ টাকা, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ১১ কোটি ৮০ লাখ ও আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহে ১ কোটি ৮৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪ টাকা খরচ করেছে। তবে সর্বশেষ এ বছরের ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি ও ভবন নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতের জন্য বরাদ্দকৃত পুরো অর্থই ব্যয় করেছে কোম্পানিটি। সব মিলিয়ে আগষ্ট পর্যন্ত মোট আইপিও তহবিলের ৪৩ কোটি টাকার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি ৪৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। অব্যবহৃত রয়েছে ২৪ কোটি ৫০ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৮ টাকা।

আরও পড়ুন, জেনে নিন, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্স কোম্পানি সম্পর্কে