মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে চলছে হুন্ডি ব্যবসা
কর্পোরেট সংবাদ
প্রকাশকালঃ ২০১৭.০১.১১ ১৬:৩০:৫৯

হুন্ডির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন নতুন নয়। বর্তমানে হুন্ডি কারবারিরা নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে ফাঁকি দিতে তথ্য আদান-প্রদানে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করছে।

সম্প্রতি দেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংককেও বিষয়টি অবহিত করেছে।

গোয়েন্দা সংস্থার চিঠিতে বলা হয়েছে, ইদানীং বিভিন্ন ধরনের মোবাইল অ্যাপের সাহায্যে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রার আদান-প্রদান হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রেরক সংস্থার লোগো ব্যবহার করে মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে এ লেনদেন করা হচ্ছে। এতে দেশ রেমিট্যান্স থেকে যেমন বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি বৈধ অর্থ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

গোয়েন্দা সংস্থার চিঠিতে ১৫ অ্যাপের নাম ও সেগুলো তৈরিতে যুক্ত থাকতে পারে এমন তিনটি সংস্থার নামও উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও ওইসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা  জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠান মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা মনে করেন, এ ধরনের লেনদেন হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে কারা করছে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের হাতে নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক হুন্ডি বিষয়ে একটি সামগ্রিক তদন্ত পরিচালনা করছে বলে জানান কর্মকর্তারা।

কয়েক বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা বছরে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠাচ্ছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রায় সমপরিমাণ রেমিট্যান্স লেনদেন হয় হুন্ডির মাধ্যমে। গত ৬ মাসে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ১৮ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *