Home কর্পোরেট সংবাদ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ১৮ মাসে সর্বোচ্চ

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ১৮ মাসে সর্বোচ্চ

Published: 2017.01.04
142
0
SHARE
বছরের প্রথম কার্যদিবসেই অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে চলে এসেছে। লন্ডনের ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) ব্রেন্ট অয়েলের দাম বেড়েছে ব্যারেলে ১ দশমিক ৫৫ ডলার। এদিন ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট অয়েল বিক্রি হয়েছে ৫৮ দশমিক ৩৭ ডলারে। ২০১৫ সালের জুলাইয়ের পর এটিই পণ্যটির সর্বোচ্চ দর। তবে গতকাল লন্ডনে লেনদেন অধিবেশনের শেষ দিকে পণ্যটির দাম কিছুটা পড়ে যায়। বিকাল ৪ টা ৪০ মিনিটে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট অয়েল বিক্রি হয় ৫৮ দশমিক ২২ ডলারে। এরপরও আগের দিনের চেয়ে ১ ডলার ৪০ সেন্ট বেশি ছিল পণ্যটির দাম। অন্যদিকে নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম বেড়েছে ব্যারেলে ১ দশমিক ৫২ ডলার। এদিন প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই বিক্রি হয়েছে ৫৫ দশমিক ২৪ ডলারে। ২০১৫ সালের জুলাইয়ের পর এটিই ডব্লিউটিআইয়ের সর্বোচ্চ দর। ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করে। পরবর্তী আড়াই বছরে পণ্যটির দাম প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়। দাম বাড়ানোর লক্ষ্যে শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। নানা চড়াই-উত্রাই পেরিয়ে গত ৩০ নভেম্বর ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় পণ্যটির উত্তোলন কমিয়ে আনা সংক্রান্ত একটি চুক্তি করতে সমর্থ হয় সংগঠনটি। এ চুক্তির ফলে ওপেকভুক্ত দেশগুলো সম্মিলিতভাবে পণ্যটির দৈনিক উত্তোলন ৩ কোটি ২৫ লাখ ব্যারেলের মধ্যে সীমিত রাখবে। উত্তোলন কমানোর লক্ষ্যে ওপেকভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি রাশিয়াসহ ওপেকবহির্ভূত আরো ১১টি শীর্ষ উত্তোলক দেশকে নিয়ে চুক্তি করে ওপেক। এসব চুক্তির ফলে শীর্ষ উত্তোলক দেশগুলো দৈনিক ১৮ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল কম উত্তোলন করবে। গত ১ জানুয়ারি থেকে এ চুক্তি বাস্তবায়ন করা শুরু করেছে শীর্ষ উত্তোলক দেশগুলো। এরই প্রভাবে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে পণ্যটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি চুক্তিটির যথাযথ বাস্তবায়ন হয়, তাহলে চলতি বছর জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ৬০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ২০১৮ সালে দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রি হবে ৭০ ডলারেরও বেশি দরে। খবর রয়টার্স।
Print Friendly