এলএনজি ব্যবসায় আসছে সামিট গ্রুপ
কর্পোরেট সংবাদ
প্রকাশকালঃ ২০১৭.০১.০৩ ১৭:৪৬:৫৯

বিদ্যুতের পর সামিট গ্রুপ এবার এলএনজি (তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ব্যবসায় আসছে। কোম্পানিটি মহেশখালী দ্বীপের কাছে সমুদ্রে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করবে। এই টার্মিনালে দিনে ৫০ কোটি ঘনফুট এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরিত করা (রিগ্যাসিফিকেশন) যাবে।

টার্মিনাল নির্মাণে শিগগিরই পেট্রোবাংলার সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি করবে এ গ্রুপ। বিদ্যুৎ জ্বালানি সরবরাহ বিশেষ আইন-২০১০ এর আওতায় দরপত্র ছাড়াই সমঝোতার ভিত্তিতে সামিটকে কাজটি দেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা সমকালকে জানান, টার্মিনাল ব্যবহার-সংক্রান্ত চুক্তির (টিইউএ) খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলে আজ সামিটের সঙ্গে চুক্তি হতে পারে। সূত্র জানায়, প্রাথমিক আলোচনা অনুসারে সামিট ১৫ বছরের জন্য টার্মিনাল পরিচালনা করবে। এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশনের জন্য এই সময়ে কোম্পানিটিকে ১১৫ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হবে।

সামিট গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। গত জুলাই মাসে সামিট সমুদ্রে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করে সরকারকে চিঠি দেয়। ওই সময় কোম্পানিটি জানায়, তারা এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক কোম্পানি শেলের সঙ্গে আলোচনা করেছে। বাংলাদেশের প্রথম এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করছে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি। চলতি বছর জুনে পেট্রোবাংলার সঙ্গে চুক্তির পর ইতিমধ্যে কোম্পানি টার্মিনাল নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। সমুদ্রে ভাসমান টার্মিনালের পাশাপাশি স্থলভাগেও টার্মিনাল স্থাপনে আলোচনা হচ্ছে। গত সপ্তাহে ভারতে কোম্পানি পেট্রোনেটের সঙ্গে এমওইউ সই করেছে পেট্রোবাংলা। টার্মিনালটি কক্সবাজারে কুতুবদিয়ায় স্থাপন করা হবে।

এ ছাড়াও আরও ৩টি কোম্পানি স্থলভাগে টার্মিনাল নির্মাণে প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে। ভারতের রিলায়েন্সের সঙ্গে একটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে রয়েছে। এলএনজি আমদানির জন্য কাতারের সঙ্গে এমওইউ করেছে সরকার। এছাড়াও অন্য দেশ থেকেও এলএনজি আমদানির বিষয়ে আলোচনা চলছে। সূত্র-সমকাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *