Home তথ্য-প্রযুক্তি টেলিনর ইয়ুথ ফোরামে নির্বাচিত দুই বাংলাদেশী

টেলিনর ইয়ুথ ফোরামে নির্বাচিত দুই বাংলাদেশী

Published:October 11, 2018
telenor


Published: 10:43:33
17
0

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: টেলিনর গ্রুপ নোবেল পিস সেন্টারের সহযোগিতায় টেলিনর ইয়ুথ ফোরাম ২০১৮-১৯-এর জন্য নির্বাচিত ১৬ প্রতিনিধির নাম ঘোষণা করেছে। নির্বাচিতদের মধ্যে সায়মা মেহেদী খান ও সামীন আলম নামে দুজন বাংলাদেশী রয়েছেন। গত সোমবার নরওয়ের অসলোয় তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের চলতি বছরের প্রতিনিধিরা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে কাজ করবে।

টেলিনর ইয়ুথ ফোরাম ২০১৮-১৯-এর ১৬ প্রতিনিধি যেসব দেশে টেলিনরের কার্যক্রম রয়েছে, সেখানে নেতৃত্ব দেবে। বাংলাদেশ, ডেনমার্ক, মালয়েশিয়া, নরওয়ে, পাকিস্তান, সুইডেন ও থাইল্যান্ডের পাঁচ হাজারের বেশি তরুণ মেধাবীর মধ্য থেকে ১৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মে মাস পর্যন্ত স্বাস্থ্য খাতের বৈষম্য দূরীকরণের সমাধান উন্নয়নে কাজ করবে।

এ নিয়ে টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী সিগভে ব্রেক্কে বলেন, বয়োজ্যেষ্ঠদের যত্নের ক্ষেত্রেই হোক কিংবা প্রান্তিক ও নিম্ন উপার্জনকারী জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ করতেই হোক; স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারি। এক্ষেত্রে টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের নির্বাচিত ১৬ তরুণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অবদান আর কারা রাখতে পারবে?

তিনি বলেন, সম্ভাবনাময় ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের জন্য স্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য দূরীকরণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সবার সুযোগ নিশ্চিত করা অবিচ্ছেদ্য অংশ। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও প্রযুক্তি এ বিষয়ে তাত্পর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

টেলিনর ইয়ুথ ফোরাম হলো উদ্যমী তরুণদের বৈশ্বিক প্লাটফর্ম, যারা পৃথিবীতে পরিবর্তন আনতে চায়। পাশাপাশি এ প্লাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রতিকূলতায় টেকসই ডিজিটাল সমাধানের উন্নয়নে বিভিন্ন রিসোর্স ও দক্ষতার সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

চলতি বছরের কর্মসূচিতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের চারটি দলে ভাগ করা হবে। প্রতিটি দলকে আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় টেলিনর ইয়ুথ ফোরামের শুরুতে পৃথক পৃথক স্বাস্থ্যবিষয়ক চ্যালেঞ্জ দেয়া হবে। চ্যালেঞ্জ অ্যাসাইনমেন্ট ও সলিউশন প্রপোজালে সহায়তা ও নির্দেশনা দিতে টেলিনর গ্রুপের বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি দলকে ছয় মাসের কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ দেবেন।

এ নিয়ে নোবেল পিস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লিভ তোরেস বলেন, প্রতি বছর টেলিনরের সঙ্গে এ উদ্যোগে সহযোগী হতে পেরে নোবেল পিস সেন্টার আনন্দিত। আমাদের উভয়েরই লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ।

আরো পড়ুন:

‘গুজব শনাক্তকরণ সেল’ গঠন, চলতি মাসেই কাজ শুরু