হোম আর্কাইভ ভার্চুয়াল ভাইরাস, ক্ষতিকর দিক ও প্রতিকার

ভার্চুয়াল ভাইরাস, ক্ষতিকর দিক ও প্রতিকার

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : at 8:47 pm
1905
0

ডা: ই এইচ মজুমদার: ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে আজ সেখানে যত অস্থিরতা, হিংস্রতা, নেতিবাচকতা-সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিদদের গবেষণা অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসবের একটি বড় কারণ এই ভার্চুয়াল ভাইরাস।

এই মোড়কে আজ পৃথিবীব্যাপী একটু একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছে ব্যক্তিমানুষের নৈতিকতা, পারিবারিক বন্ধন ও বিশ্বস্ততা, সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার মতো মানবিক উৎকর্ষের চিহৃগুলো।

Spellbit Limited

বিশ্বজুড়ে খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাগারে পরিচালিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো বলছে, স্মার্টফোন, ইন্টারনেটের লাগামহীন ব্যবহার আর গেম, ইউটিউব, সামাজিক যোগাযোগ সাইটে আসক্তি জীবনঘাতী মাদকাসক্তির মতোই ভয়াবহ। যাকে গবেষকেরা অবহিত করেছেন ‘ডিজিটাল কোকেন’ হিসেবে।

তাদের মতে, মাদকসক্ত ব্যক্তির মস্তিষ্কে নির্দিষ্ট মাদকের চাহিদা সৃষ্টি হলে যে রাসায়নিক রস নিসৃত হয়, ঠিক একই ঘটনা ঘটে এসব প্রযুক্তিপণ্যে আসক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও। আর এ আসক্তির শিকার আর ধনী-গরিব নির্বিশেষে লাখো কোটি শিশু-কিশোর,তরুণসহ প্রায় সব বয়সের মানুষ।

শুধু তা-ই নয়, দেশে দেশে এখন জটিল মনোদৈহিক রোগব্যাধির প্রধানতম কারণ হিসেবেও এই ভার্চুয়াল ভাইরাসকেই দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। যা শুধু ব্যক্তির জীবনকেই ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বিষহ করে তুলছে না, হুমকির মুখে ফেলছে মানবসভ্যতার চিরায়ত মূল্যবোধগুলো। সামাজিক যোগাযোগ নামধারী অবক্ষয়ের নিঃশব্দ ঘুনপোকা আজ ক্রমাগত ধ্বংস করে দিচ্ছে মানুষে মানুষে সম্পর্কের শাশ্বত ভিত্তি।

এর পাশাপাশি বিভিন্ন ভার্চুয়াল গেম ও সাইটে আসক্তি আর সেলফি হুজগ আজকের তরুণদের করে তুলেছে আত্নকেন্দ্রিক, বিষন্ন, পরিবার বিছিন্ন ও হতাশাগ্রস্ত। এদের সুস্থতা ও রোগমুক্তির জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন রীতি চালু করতে হচ্ছে স্মার্টফোন রিহ্যাব সেন্টার।

প্রযুক্তির মাফিয়ারা খুব ভালো করেই জানেন, স্মার্টফোন ও সোস্যাল মিডিয়া আসক্তিকর। মাদকের চেয়ে ভয়ঙ্কর সে আসক্তি। মানুষকে সোস্যাল মিডিয়ায় নেশাগ্রস্তের মতো বুঁদ করে রাখার চক্রান্তকে বলা হচ্ছে ব্রেন হ্যাকিং। খুলির ভেতরে মগজ আপনার হলে কী হবে, নিয়ন্ত্রণের লাগাম টেক কোম্পানির হাতে। তাই নিজের ভালো নিজেকেই বুঝতে হবে।

সেলফিটিসি
ঘন ঘন সেলফি ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পোস্ট করার জন্য ব্যাকুল হওয়ার নামই সেলফিটিসি। মনোবিজ্ঞনীরা এটাকে মানসিক রোগ বলে চিহিৃত করেছেন। সাধারণত যারা হীনমন্যতায় ভোগে এবং অনুকরণপ্রিয় (টেন্ড্রি), তারাই মূলত সেলফি রোগে আক্রান্ত।

ফেসবুক ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা বলেছেন, সোস্যাল মিডিয়ার আসক্তি মাদকাসক্তির মতোই ক্ষতিকর। জার্নাল সাইকোলজিক্যাল রিপোর্ট-ডিজঅ্যাবিলিটি অ্যান্ড ট্রমাতে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, ফেসবুক ব্যবহার করার দুর্নিবার আকর্ষণ অনুভব করে, এমন মানুষের মস্তিষ্কের প্যাটার্নের সাথে মিলে গেছে মাদকদ্রব্য ও জুয়ায় আসক্ত মানুষের মস্তিষ্কের প্যাটার্ন। ছবিতে লাইক পাওয়ার আগ্রহে মস্তিষ্কে নিঃসরণ করে ডোপামিন হরমোন। ড্রাগ গ্রহণের সময় বা জুয়ায় জিতলে মস্তিষ্কে এই একই হরমোন নিঃসরণ হয়ে থাকে।

এ প্রজন্মের বেশির ভাগ ছেলেমেয়ে মা-বাবা ছাড়া দূর-আত্নীয়কে চেনে না, শোল-বোয়াল চেনে না, করলা-পটোল চেনে না, বৈষয়িক জ্ঞানের বড়ই অভাব। অথচ তিন বছরের শিশুর চেনে ইউটিউব, ফেসবুক। স্টার পাওয়া আমার এক মেডিক্যাল ছাত্রকে আমাদের দেশের প্রধান নদীগুলোর নাম জিজ্ঞেস করায় চুপ হয়ে গেল। বুকভরে শ্বাস নেয়ার জন্য দেশে কত শতাংশ বনভূমি প্রয়োজন জানে না। আমরা কোন দিকে যাচ্ছি।

ইন্টারনেট, গেম, ইউটিউব, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ সাইটের ভালো দিক যেমন আছে, তেমনি আছে খারাপ দিকও। ছুরি দিয়ে যেমন ডাক্তাররা প্রাণ বাঁচায় তেমনি ছুরি দিয়ে ডাকাত, ছিনতাইকারীরা মানুষের প্রাণ হরণ করে। তাই আসক্তিহীনভাবে ভালো দিকে এগুলোর ব্যবহার করতে পারলে আপত্তির কিছু নেই। আর নিজেকে সংযত করতে না পারলে ছেড়ে দেয়াই সমীচীন।

তাই আসুন নিজে সচেতন হই। সচেতন করে তুলি আত্নীয়, বন্ধু-প্রতিবেশী-সহকর্মীদের । ভার্চুয়াল ভাইরাসের মরণ আগ্রাসন থেকে বাঁচাই সন্তান ও পরিবারকে। বাঁচাই দেশবাসীকে। আর এ সচেতনতার পথ ধরেই সূচিত হোক আমাদের নৈতিক পুনর্জাগরণ। মানবতার অভিযাত্রার নেতৃত্ব দিক প্রিয় বাংলাদেশ।

দিকনির্দেশনা
১. পরিবারকে সময় দিন। পরিবারের জন্য বরাদ্দ সময়ে টিভি, কম্পিউটার, স্মার্টফোনসহ যাবতীয় ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকুন। সন্তান, মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্নীয়স্বজনের সাথে বাস্তব যোগাযোগ বাড়ান।

২. নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে আপনার স্মার্টফোন থেকে ফেসবুক-টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যাবতীয় অ্যাপস আজই ডিলিট করে দিন। পেশাগত বা শিক্ষাগত প্রয়োজনে এসব ব্যবহার করতে হলেও তা করুন শুধু কম্পিউটার, ল্যাপটপে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে। 

৩. শিক্ষার্থীদের ওপর মোবাইল ফোনের বিরুপ প্রভাব পর্যবেক্ষণ করে ফ্রান্স সরকার স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছেন। যথাযথ উদ্যোগ নিন আপনিও।

৪. নিজের ও সমাজের কল্যাণে সক্রিয় থেকে সমমনা মানুষের সাথে গড়ে তুলুন যোগাযোগ।

৫. ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন। পরিবারের সবার মধ্যে তা অনুশীলন করুন। পরিবার তথা সামাজিক শৃঙ্খলা মেনে চলার গুরুত্ব বোঝেন। ঘরের কাজে সন্তানকে সম্পৃক্ত করুন। সব খারাপকে না বলুন।

৬. সন্তানের বন্ধু হন। যুক্তিহীন বকাঝকা বন্ধ করে যুক্তি দিয়ে উদ্বুব্ধ করুন। সৃজনশীল কাজে, লেখাপড়ায় উৎসাহ দিন। ভাই-বোনদের সাথে শেয়ার করতে শেখান। সব সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখছে কি না দেখুন।

৭. সন্তান অনুসরণ করে আপনার আচরণ। আপনি ভার্চুয়াল ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সন্তানকে এ থেকে বিরত রাখা কষ্টকর হবে। তাই আগে নিজে ফেসবুক বন্ধ করুন। সন্তানকেও এ থেকে দূরে রাখুন।

৮. ১৮ বছর আগে সন্তানের আবদার মেটাতে বা স্ট্যাটাস রক্ষার নামে স্মার্টফোন কিনে দেবেন না। যোগাযোগের জন্য ফিচার ফোন দিতে পারেন।
৯.  Early to bed and early to rise makes a man healthy wealthy and wise,. এটি পরিবারে চর্চা করান।

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে-
‘আল্লাহ তোমাদের বিশ্রামের জন্য রাত সৃষ্টি করেছেন’। সূরা মুমিন, আয়াত ৬১।
‘আমি রাতকে করেছি আবরণ, দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়’। সূরা নাবা, আয়াত ১০-১১।

অর্থাৎ দিনে কাজ আর রাতে ঘুম। আধুনিক গবেষণা বলেছে, মানুষ ও সমাজের কল্যাণে কাজ হতাশা বিষণ্ণতা একাকিত্বের অনুভূতি হ্রাস করে। বাড়ায় আত্নবিশ্বাস ও দক্ষতা। তাই সাধ্যমতো নিবেদিত হোন মানুষ ও সৃষ্টির কলাণে।

যুক্তরাষ্ট্রের শিশুবিশেষজ্ঞদের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংগঠন আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস। ২০১৬ সালে তারা শিশু সুরক্ষায় একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে। এতে বলা হয়েছে, সব বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে ডিজিটাল মিডিয়ার ব্যবহার সীমিত করা উচিত। কারণ, শিশুরাই এসব স্ক্রিনের সবচেয়ে বড় শিকার।

শিশুর ১৮ মাস বা এর কম হলে:
১.সব ধরনের ডিজিটাল মিডিয়া থেকেই তাকে দূরে রাখতে হবে। শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থ বিকাশ ও মা-বাবার সাথে মতামতপূর্ণ সম্পর্ক নিশ্চিত করতে হলে ‘স্ক্রিন টাইম’ নিষিদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। মা ও পরিবারের অন্যদের সাথে যত তাড়াতাড়ি, যত সরাসরি ও মুখোমুখি ভাব বিনিময় ঘটবে, শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও বিকাশে তত বেশি উপকারী হবে।

২. ফোন-টিভি-কম্পিউটারে স্ক্রিনের দিকে সরাসরি না তাকালেও শিশু ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। কিভাবে? সন্তানকে খাওয়ানোর সময় মা নিজে হয়তো টিভি দেখছেন। তখন টিভির শব্দ ও আলো শিশুর স্নায়ুকে উত্তেজিত করতে পারে, যা শিশুর ঘুম ও মনোযোগ ক্ষতিগ্রস্থ করবে।

৩. সবচেয়ে আশঙ্কাজনক হলো, ফোন-টিভি-কম্পিউটার মা-বাবা ও শিশুর মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে। মা-বাবা সন্তানকে সময় না দিয়ে টিভি-ফোনের প্রতি বেশি মনোযোগী হলে তাদের ক্রমাগত অবহেলা সন্তানদের ক্ষোভ সৃষ্টি করে।

৪. ফলে ভবিষ্যতে সেই শিশুর আচরণে মানসিক অসুস্থতার নানা লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এ নীতিমালার মূল প্রণেতা ড. এয়োলোন্ডা রিড তাই বলেন, টিভিকে বেবিসিটার বানাবেন না। সন্তানের সাথে গল্প করুন অথবা তাকে বই পড়ে শোনান।

শিশুর বয়স দুই থেকে পাঁচ বছর হলে:
এই বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে টিভি-কম্পিউটার ব্যবহার দিনে মাত্র ১ ঘণ্টার জন্য সীমিত করুন। আপনিও তার সাথে বসে দেখুন। তবে কী ধরনের অনুষ্ঠান তাকে দেখাচ্ছেন, সে ব্যাপারে বিশেষ সর্তক হোন।

কারণ, বিজ্ঞাপন বা অ্যানিমেশন বোঝার মতো মানসিক সক্ষমতা দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের নেই। বড় শিশুরা পারলেও এই বয়সী শিশুরা কার্টুনের কাল্পনিক জগৎ ও বাস্তব জগতের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না।

শিশুদের বয়স ছয় বছরের বেশি হলে:
আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস স্বীকার করে নিয়েছে, শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশে ডিজিটাল মিডিয়া কখনোই খেলাধুলা ও পরিবারের সদস্যদের সাথে মেলামেশার বিকল্প হতে পারে না।

কম্পিউটার ভিশন সিনড্রম বা ডিজিটাল আই স্ট্রেইন:
নিরবচ্ছিন্ন অতি মাত্রায় কম্পিউটার মোবাইল ফোন বা এমন সব ডিজিটাল ডিসপ্লে ডিভাইস ব্যবহার করার ফলে চোখে যে সমস্যাগুলো দেখা যায়, এদেরকে একত্রে বলে কম্পিউটার ভিশন সিনড্রম বা ডিজিটাল আই স্ট্রেইন।

লক্ষণ:
*চোখ ও মাথাব্যথা;
*মাথার পেছনে ব্যথা;
*ঘাড় ব্যথা;
*ঝাপসা বা ডাবল দেখা;
* ক্লান্তিবোধ;
*চোখের পানি শুকিয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

কারণ:
*ডিসপ্লেস্ক্রিন গ্লেয়ার, আলোর স্বল্পতা বা বেশি মাত্রা;
*চোখ ও ডিসপ্লের অতি অধিক আ নিকট দূরত্ব;
*চোখের পাওয়ারজনিত সমস্যা;
*নিম্নমানের বসার ভঙ্গি;
*স্বল্প সময়ে অতিরিক্ত কাজের চাপ;
*লিখিত কাগজ ও ডিসপ্লে স্ক্রিনে ঘন ঘন দৃষ্টি পরিবর্তন;
* কম্পিউটারে বাইফোকাল চশমা ব্যবহার করা;
* চোখের পলক কম ফেলা।

রোগ নির্ণয়:
*রোগীর ইতিহাস-কত সময় কাজ করেন;
*সেটআপ স্টেশন কেমন;
*আলোর অবস্থা;
*দৃষ্টিশক্তি ও চোখের অন্যান্য পরীক্ষা ইত্যাদি।

প্রতিকার:
*রুল অব ২০-২০-২০ অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট কাজের পর ২০ ফিট দূরে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে বিশ্রাম নিন অথবা ৩০ মিনিট পর পর ২০ মিনিট চোখ বন্ধ রাখুন।
*গ্লেয়ার (মনিটরে রিফ্লেকশন) প্রতিরোধ করুন। মনিটরে ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট ও ফন্ট সাইজ অ্যাডজাস্ট করে দিন।
*ওয়াকিং ডেস্ক সঠিকভাবে প্রতিস্থাপন করুন;
*আই লেভেলের ২০ ডিগ্রি নিচে থাকবে মিড মনিটর;
*২০ হতে ২৮ ইঞ্চি দূরে থাকবে ডিসপ্লে (আর্ম লেংথ);
*ঘাড় ও চোখের চাপহীন অবস্থা;
*লেখার পাতা ও মনিটর পাশাপাশি থাকবে, ওপরে নিচে নয়;
*চোখের পলক মিনিটে ১০-১২ বার ফেলা উচিত (কাজের সময় পাঁচবার হয়);
*কম্পিউটারের জন্য আলাদা ইউনিফোকাল চশমা ব্যবহার করুন। বাইফোকাল চশমা ঘাড়ে ব্যথার সৃষ্টি করবে।

চিকিৎসা:
ওপরে বর্ণিত কোনো লক্ষণে আক্রান্ত হলে বর্ণিত প্রতিকারের ব্যবস্থা নিন। প্রয়োজনে একজন চক্ষুবিশেষজ্ঞ দেখান। তিনি আপনার চোখ পরীক্ষা করে সঠিক ব্যবস্থা দেবেন, যা চোখের পাওয়ার পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক চশমা, ওষুধ ও সঠিক পরামর্শ।

লেখক: এমবিবিএস,ডিও, চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন
সহযোগী অধ্যাপক (অব:)
নর্থ ইস্ট মেডিক্যাল কলেজ এবং ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ, সিলেট