Home আর্কাইভ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় বিএসইসি’র নতুন প্রজ্ঞাপন

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় বিএসইসি’র নতুন প্রজ্ঞাপন

Published:August 8, 2018
bsec imaje


Published: 18:21:18
590
0

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে গত ০২ অক্টোবর ২০১১ ইং তরিখে একটি প্রজ্ঞাপন জারী করেছিল যার ৬ নম্বর শর্তে বলা হয়েছিল, কোন কোম্পানি আইপিও অনুমোদন পাওয়ার পর তার “পৃষ্টপোষক বা প্রোমোটার গ্রুপকে কমিশনের সম্মতির তারিখ থেকে কমপক্ষে তিন (৩) বছর পর্যন্ত কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধনের নূন্যতম ত্রিশ (৩০) শতাংশ পোষ্ট ইস্যু শেয়ারহোল্ডার বজায় রাখতে হবে”। অর্থাৎ ইস্যুয়ার কোম্পানির পৃষ্টপোষক বা প্রোমোটার নিজ নামে ধারণকৃত শেয়ারের পরিমাণ হবে ৩০ শতাংশ। যা পরবর্তী তিন বছর তাকে নিজ নামে রাখতে হবে। কোনক্রমেই তাঁদের নিজের নামে শেয়ারের পরিমাণ ৩০ শতাংশের কম হবে না। এক্ষেত্রে ঐ প্রজ্ঞাপনে ইস্যুয়ার কোম্পানির পরিচালকদের শেয়ার হোল্ডিংয়ের  ব্যাপারে কিছু বলা ছিল না।
গত ৩১ জুলাই ২০১৮ ইং তারিখে বিএসইসি প্রজ্ঞাপনটির ৬ নম্বর শর্ত সংশোধন করে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। যেখানে বলা হয়েছে যে, “পৃষ্টপোষক বা প্রোমোটর এবং পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ইস্যুয়ার কোম্পানির আইপিও’র বিষয়ে বিএসইসি’র সম্মতির তারিখ থেকে পৃষ্টপোষক বা প্রোমোটর এবং পরিচালকদের নিজ নামে কমপেক্ষ ৩০ শতাংশ শেয়ার নিজ নামে রাখতে হবে এবং তা কমপক্ষে তিন (৩) বছরের মধ্যে তা অন্যের কাছে বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারবেন না।  
পূর্বের প্রজ্ঞাপনে পোষ্ট-ইস্যু শেয়ার বজায় রাখার জন্য পৃষ্ঠপোষক বা প্রোমোটার গ্রুপের সম্মতির প্রয়োজন ছিল। কিন্তু নতুন প্রজ্ঞাপনে পৃষ্ঠপোষক বা প্রোমোটারের পাশাপাশি পরিচালকদের সম্মতির বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে চায় বিএসইসি, যা কোম্পানির  স্বচ্ছতার সাথে সাথে জবাবদিহিতা তৈরি করবে। ফলে পুঁজিবাজারে অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকবে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
এই সংশোধনীর ফলে আইপিও’র মাধ্যমে পূজিঁবাজারে আসা নতুন কোম্পানির উদ্যোক্তা এবং পরিচালক সবাইকে তাঁর নিজ নামে ৩০ শতাংশ শেয়ার রাখার বাধ্যবধকতা তৈরি হল যা তাঁদেরকে পূঁজিবাজারে আসার পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত নিজের নামেই রাখতে হবে। বিষয়টিকে পূঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, এই শর্তের ফলে বিনিয়োগকারীদের মাঝে শেয়ারবাজারে আসা নতুন কোম্পানির শেয়ার কেনার ব্যাপারে বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হবেন। বিনিয়োগকারীরা আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন এই প্রজ্ঞাপন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুষ্ঠ পরিবেশ ফিরে আসবে এবং বিনিয়োগকারীরাও বিনিয়োগের আস্থা ফিরে পাবে।

আরও পড়ুন, বিজিআইসিতে এখনও কোম্পানি সেক্রেটারি‘র দায়িত্বে ‘প্রধান নির্বাহী’