Corporate Sangbad
জাতীয়

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু ১৬ ডিসেম্বর

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন ·

চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, প্রথম দিনে চলাচল করবে ২০টি উড়োজাহাজ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সংগৃহীত

বিমানমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে এই টার্মিনালটা উদ্বোধন করা হয়েছিল, শুধু বিল্ডিংটা উদ্বোধন করা হয়েছিল। কিন্তু এটি চালুর যে উদ্যোগ, সেটি নেয়া হয়নি। এই টার্মিনালে ইন্টারনেট নেই, মেশিনপত্রের ব্যবস্থাপনা নেই এবং এটি কীভাবে উদ্বোধন হবে, তার কোনো চিন্তাভাবনা ছিল না। 

তিনি আরও বলেন, রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বাংলাদেশিরা পাবে, বাকি ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানি পাবে—এমনটি কথা ছিল। আমার বারবার মিটিং করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রেভিনিউ ২৭ শতাংশ আনতে সক্ষম হয়েছি। ২৭ শতাংশ আনতে পারলে আমাদের ঋণটা পরিশোধ করা যাবে। আপনারা জানেন, এটি জাইকার ঋণে করা হয়েছে। 

বিমানমন্ত্রী জানান, পরবর্তী ৫-৬ মাসের মধ্যে পুরোপুরি চালু হবে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল।

রশিদুজ্জামান মিল্লাত আরও বলেন, টার্মিনালটির কিস্তি দেয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এই কিস্তিটা আমাদের সিভিল এভিয়েশনের আয় থেকে দিতে হচ্ছে। আমরা ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে দিয়েছি এবং ডিসেম্বরে আরও ৯০০ কোটি টাকা দিতে হবে। এই টার্মিনালটা চালু না করা গেলে এভাবেই অন্যান্য খাত থেকে আমাদের ঋণ শোধ করতে হবে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১৬ ডিসেম্বরে আংশিক হলেও যাতে আমরা এটি চালু করতে পারি। 

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া। ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। এই ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে এবং বাকি অর্থ জাপানি সংস্থা জাইকার ঋণ।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন হয়। তখন বেবিচক জানিয়েছিল ২০২৪ সালের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে, যদিও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি।