Corporate Sangbad
তথ্য-প্রযুক্তি

উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ‘ফরচুন গ্লোবাল ৫০০’-এ ২৩২তম শাওমি

প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ন ·

বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি ২০২৬ সালের ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বার্ষিক তালিকা, যা বিশ্বজুড়ে কর্পোরেট স্কেল ও ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সের মানদণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। শাওমি ২০১৯ সালে সর্বপ্রথম ৪৬৮তম স্থানে এ তালিকায় নিজের জায়গা করে নেয়। ওইবছরে ফরচুনে সবচেয়ে নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পায় শাওমি। পরবর্তীতে, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে ২৯৭তম স্থানে উঠে আসে শাওমি।

প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করতে শাওমি ২০২৬ সালে এক্সরিং ০১ ৩-ন্যানোমিটার উন্মোচন করে, যা প্রতিষ্ঠানটির নিজের তৈরি প্রথম ফ্ল্যাগশিপ এসওসি (সিস্টেম অন চিপ)। একইসাথে, ক্রস-ডিভাইস কানেক্টিভিটি আরও কার্যকর করতে প্রতিষ্ঠানটি এআই ও হাইপারওএস সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে। এছাড়াও শাওমি হোম অ্যাপ্লায়েন্স, এআইওটি ও ইভি সহ আরও বিভিন্ন খাতে নিজের পোর্টফলিও সমৃদ্ধ করেছে। চীনা গ্লোবাল কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে শাওমি বর্তমানে ১ নম্বরে রয়েছে এবং ১০০ কোটিরও (১ বিলিয়ন) বেশি কানেক্টেড ডিভাইস নিয়ে বিশ্বজুড়ে কনজ্যুমার এআইওটি মার্কেটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

শাওমি ইলেকট্রিক ভেহিকল খাতে ইন্টেলিজেন্ট কানেক্টিভিটি, সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যারের সমন্বয় ও উন্নত প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষতা নিশ্চিত করেছে। শাওমি এসইউ৭, শাওমি ওয়াইইউ৭ ও শাওমি স্কাইনোম্যাড মডেলগুলো উন্নত ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেন, লং রেঞ্জ পারফরম্যান্স ও ইন্টেলিজেন্ট ইন-কার প্রযুক্তিতে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা প্রতিফলিত করে।  

শাওমি এসইউ৭ ও শাওমি ওয়াইইউ৭ যেখানে চালকের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া স্কাইনোম্যাড চালকের পাশাপাশি, অন্যান্য যাত্রীদের আরাম, সুবিধা ও উন্নত অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর কেবিনকে এমন একটি অ্যাডাপ্টেবল লিভিং স্পেস হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, যা সারাদিন ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের সাথে তালমিলিয়ে অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।

গত ১২ বছরে রেডমি নোট সিরিজ ৫০ কোটিরও বেশি স্মার্টফোন বিক্রির মাইলফলক অতিক্রম করেছে। যা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি, সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করেছে। ক্রেতাদের এ ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা শাওমির ধারাবাহিক ব্যবসায়িক বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রসারে বিশেষ অবদান রেখেছে, যা ২০১৯ সালে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় প্রথমবার ৪৬৮ নম্বর স্থান থেকে ২০২৬ সালে ২৩২ নম্বর স্থানে উঠে আসতে সহায়তা করেছে। বর্তমানে, বিশ্বজুড়ে ১০০-এরও বেশি বাজারে শাওমির ‘হিউম্যান × কার × হোম’ ইকোসিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “উদ্ভাবন, অনন্য প্রযুক্তি ও ইকোসিস্টেম উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে শাওমি এ বছর ফরচুন গ্লোবাল ৫০০-এর তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। স্মার্টফোন থেকে শুরু করে এআই, স্মার্ট হোম, ইন্টেলিজেন্ট মোবিলিটি ও অন্যান্য খাতে নিজেদের অবস্থান জোরদার করার পাশাপাশি, আমাদের ক্রেতাদের জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে এমন একটি ইন্টারকানেক্টেড ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাই। এসব উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আমরা সময়ের সঙ্গে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০-এর তালিকায় শাওমির অবস্থান আরও শক্তিশালী ও উন্নত করতে চাই।”

আগামীতেও শাওমি প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ, বৈশ্বিক ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণ ও বিশ্বের আরও বেশি মানুষ ও কমিউনিটির কাছে সহজলভ্য ও ইন্টেলিজেন্ট প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।

আরও বিস্তারিত জানতে, https://www.mi.com/global/about/ ভিজিট করুন বা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন।