Corporate Sangbad
শেয়ারবাজার

তৃতীয় প্রান্তিকে ভিসা’র নিট রাজস্বে ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

প্রকাশিত: ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ন ·

ভিসা ইনকরপোরেটেড ৩০ জুন, ২০২৬-এ সমাপ্ত তৃতীয় আর্থিক প্রান্তিকের ফলাফল প্রকাশ করেছে, যেখানে রাজস্ব, মুনাফা ও লেনদেন কার্যক্রমে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এই প্রান্তিকে জিএএপি (প্রচলিত হিসাব-মান) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৫.৬ বিলিয়ন ডলার বা প্রতি শেয়ারে ২.৯৭ ডলার, যা গত বছরের তুলনায় যথাক্রমে ৭% ও ১০% বেশি।

বিশেষ খাত ও সংশ্লিষ্ট করের হিসাব বাদ দিলে, নন-জিএএপি নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বা প্রতি শেয়ারে ৩.৩২ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় যথাক্রমে ৮% ও ১১% বেশি। কন্সট্যান্ট-ডলার হিসাবে জিএএপি শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে প্রায় ৯% এবং নন-জিএএপি শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে প্রায় ১১%। 

এ প্রসঙ্গে ভিসা’র সিইও রায়ান ম্যাকইনার্নি বলেন, “২০২৬ এর তৃতীয় প্রান্তিকে ভিসা’র নিট রাজস্ব বছরওয়ারি বেড়েছে ১৪%, জিএএপি ইপিএস বেড়েছে ১০% এবং নন-জিএএপি ইপিএস বেড়েছে ১১%, যা অত্যন্ত সন্তোষজনক। ভোক্তা ও ব্যবসায়িক ব্যয়ের ধারা এখনও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল রয়েছে এবং আমাদের কৌশল কনজ্যুমার পেমেন্ট, কমার্শিয়াল ও মানি মুভমেন্ট সল্যুশন এবং ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিসেস জুড়ে ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী ফলাফল এনে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপি পেমেন্টের শীর্ষ হাইপার-স্কেলার আমরা নতুন পণ্য ডিজাইন, উন্নয়ন এবং আরও দ্রুত বাজারে আনার গতি বাড়িয়ে চলেছি, যার মাধ্যমে ভিসা, আমাদের ক্লায়েন্ট এবং পুরো ইকোসিস্টেম ভবিষ্যতের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে আরও ভালো অবস্থানে থাকবে এবং প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে।”

তৃতীয় আর্থিক প্রান্তিকে নিট রাজস্ব দাঁড়িয়েছে ১১.৬ বিলিয়ন ডলার, যা বছরওয়ারি ১৪% বেশি বা কন্সট্যান্ট-ডলার হিসাবে ১৩% বেশি। এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে পেমেন্ট ভলিউম, ক্রস-বর্ডার লেনদেন ও প্রসেসড ট্রানজেকশনের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি। ৩০ জু্‌ন, ২০২৬-এ সমাপ্ত তিন মাসে কন্সট্যান্ট-ডলার হিসেবে পেমেন্ট ভলিউম বছরওয়ারি ১০% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, সার্ভিস রাজস্ব নির্ধারণে ব্যবহৃত আগের প্রান্তিকের পেমেন্ট ভলিউম ৯% বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইউরোপের অভ্যন্তরীণ লেনদেন বাদ দিয়ে ক্রস-বর্ডার ভলিউম কন্সট্যান্ট-ডলার হিসেবে বছরওয়ারি বেড়েছে ১২% এবং সামগ্রিক ক্রস-বর্ডার ভলিউম বেড়েছে ১৩%। মোট প্রসেসড ট্রানজেকশনের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭১.৭ বিলিয়নে, যা বছরওয়ারি ১০% বেশি।

রাজস্বের বিভিন্ন খাতের মধ্যে সার্ভিস রাজস্ব ১৪% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.৯ বিলিয়ন ডলার এবং ডেটা প্রসেসিং রাজস্ব ১৭% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.০ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক লেনদেন রাজস্ব ৬% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৯ বিলিয়ন ডলার এবং অন্যান্য রাজস্ব ৪৫% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৫ বিলিয়ন ডলার। ক্লায়েন্ট ইন্সেনটিভ বাবদ ব্যয় হয়েছে মোট ৪.৭ বিলিয়ন ডলার, যা বছরওয়ারি ১৮% বেশি।

জিএএপি পরিচালন ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪.৮ বিলিয়ন ডলার, যা বছরওয়ারি ১৯% বেশি, যার প্রধান কারণ ছিল কর্মী-সংক্রান্ত ব্যয় বৃদ্ধি। বিশেষ খাত বাদ দিলে নন-জিএএপি পরিচালন ব্যয় বেড়েছে ১৭%, যার প্রধান কারণ মার্কেটিং ও কর্মী-খাতে বাড়তি বিনিয়োগ। ৩০ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত নগদ, নগদ-সমতুল্য ও বিনিয়োগ সিক্যুরিটিজ মিলিয়ে ভিসার হাতে ছিল ১৩.৯ বিলিয়ন ডলার।