Corporate Sangbad
জাতীয়

২৫ জুনের মধ্যে ভূমি অফিসের কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশ

প্রকাশিত: ৬ জুন, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ন ·

মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য পুনরায় কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। আগামী ২৫ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের সম্পদের বিবরণী আবশ্যিকভাবে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৪ অধিশাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা, প্রসেস সার্ভার, অফিস সহায়ক, চেইনম্যান ও নিরাপত্তা প্রহরীসহ উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সব কর্মচারীর সম্পদের হিসাব নির্ধারিত ছকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য পূর্বে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদধারীদের এ তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি চাকরিতে কর্মরতদের সম্পদ অর্জন ও আর্থিক অবস্থার তথ্য নিয়মিতভাবে পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ের কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ও উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী এখনো আশানুরূপভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে সংশ্লিষ্ট সকল জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রেরণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্পদের বিবরণী দাখিল সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্বচ্ছতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রেরণ না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই নির্দেশনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি গ্রহণযোগ্য হবে না।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের ভূমি প্রশাসনে কর্মরতদের সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ ও কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণের কার্যক্রম যেমন জোরদার হবে, তেমনি সরকারি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।